print

ভালো রেজাল্ট করে আইভি লীগেও যাওয়া সম্ভব : আলিফ আলম

0

নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : স্পেশলাইজড হাইস্কুলে অনেকেই পড়তে পারে না বলে অফসোস করে। কিন্তু এই আফসোস এই জন্যই করা যাবে না কারণ ছোট হিসাব দিয়ে বলি, একজন স্টুডেন্ট যদি জ্যামাইকা বা কুইন্স ভিলেজে থাকে তাহলে তার স্টাইভিসেন্টে যেতে লাগবে দেড় ঘন্টা, আর ফিরতে দেড় ঘন্টা। সব মিলে তিন ঘন্টা আসা যাওয়া। দিনে তিন ঘন্টা। সপ্তাহে ১৫ ঘন্টা। আমি স্টাইভিসেন্টে পড়েছি। আমার চার বছরে স্কুল জীবনে কেবল যাওয়া আসাতে ব্যয় হয়েছে ২২০০ ঘন্টা। এই ২২০০ ঘন্টা ব্যয় হওয়ার কারণে আমি অনেক কিছুই করতে পারিনি। কিন্তু আমার ভাই যে কিনা কুইন্সের বেস্ট স্কুল টাউনসেন্ড হ্যারিসে পড়েছে, তার স্কুলে যেতে আসতে সময় লেগেছে ১১০০ ঘন্টা। আমার চেয়ে ১১০০ ঘন্টা তার কম লাগাতে সে স্কুলে হ্যান্ডবলে সময় দিয়ে টিম লিডার হয়েছে, কালচারাল লাইনে থাকতে পেরেছে। এতে সে কর্নেল ইউনিভারসিটিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। ভাল ফলাফল করেছে। আমি পড়েছি বস্টন ইউনিভারসিটিতে। আমার ভাই পুরোটাই স্কলারশিপ নিয়ে পড়েছে। উল্টো অর্থ পেয়েছে। আমি এক লাখ ডলারের ঋণ নিয়েছি লেখপড়া শেষ করতে। তাহলে বলুন কোনটা ভাল? তিনি বলেন, আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে উদাহরণ দিয়েই পার্থক্যটা বুঝালাম। তাই বলবো একজন স্টুডেন্ট একটি জোন স্কুলে পড়েও ভাল ফলাফল করতে পারে যদি যে ভাল করে লেখাপড়া করে। ভাল ফলাফল করে, লিডারশিপসহ কালচারাল এক্টিভিটিজে তার অংশগ্রহণ থাকে। এই কথাগুলো বলছিলেন স্টাইভিসেন্ট হাইস্কুল থেকে গ্রাজুয়েশন ও বস্টন ইউনিভারসিটি থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী, স্ট্যান্ডআউট টিউটোরিং ফাউন্ডার আলিফ আলম। তিনি এর পাশাপাশি কাজ করছেন ইন্টারিয়ালিঙ্কস কোম্পানীর ফ্রন্ট অফিসে এন্টারপ্রাইজ এ্যাকাউন্টিং এক্সিকিউটিভ পদে।
আলিফ আলম বলেন, আমাদের মটো হচ্ছে, স্পেশালাইজড স্কুল ভাল, কিন্তু আপনি জানেন কি আপনার সন্তান স্পেশালাইজ স্কুলে সুযোগ না পেলেও হতাশার কিছুই নেই। কেননা আইভি লীগ কলেজে যেতে স্পেশালাইজড স্কুলের গুরুত্ব অন্যান্য স্কুলের সমান। বহু ছেলে মেয়ে অনেক কষ্ট করে, অনেক অর্থ ব্যয় করে স্পেশালাইজড স্কুলে গেলেও ভাল কলেজে যেতে পারে না। জানতে চান কেন? আমরা এখানে স্কুলে গিয়েছি, কলেজে গিয়েছি এবং জব করছি। আমরা জানি স্কুল, কলেজে এবং জব এর জন্য আসলে কী প্রয়োজন? আমরা অভিভাবক ও স্টুডেন্টদেরকে এই সব বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। এটা জানা খুব জরুরি। স্ট্যান্ডআউট টিউটোরিং স্যাট ও এসএইচএসএটির জন্য প্রতিষ্ঠা করা হলেও এর পাশাপাশি তারা অন্যান্য বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে বস্টন ইউনিভারসিটি থেকে পাস করা সার্টিফাইড টিচার জর্ডানা চার্চহিল, স্টাইভিসেন্ট স্কুল ও বস্টন ইউনিভারসিটি থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী, স্ট্যান্ডআউট টিউটোরিং ফাউন্ডার আলিফ আলম, টাউনসেনড হ্যারিস, কর্নেল ইউনিভারসিটি থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী দেওয়ান আহমেদ, স্টাইভিসেন্ট হাইস্কুল ও নিউইয়র্ক ইউনিভারসিটি থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী বেঞ্জামিন ভেলকাই। তারা চারজন লক্ষ্য ঠিক করেছেন ইমিগ্রান্ট স্টুডেন্টদের প্রতিষ্ঠিত হতে ও মেইন স্ট্রিমে টপ লেভেলে যাওয়ার জন্য তৈরি করা। এই চারজনের সঙ্গে পেছন থেকে সহযোগিতা করছেন দেওয়ান আলম।
আলিফ জানান, তাদের টিউটোরিংটি প্রতিষ্ঠার বয়স এক বছর। এই এক বছরে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন একটু ভিন্ন মাত্রায় একটি সফল টিউটোরিং সেন্টার গড়ে তোলার। গত বছর থেকে তারা শুরু করার পর আস্তে আস্তে এগুচ্ছে। এই বছর তাদের সেন্টার থেকে এসএইচএসএটি পরীক্ষাতে অংশ নিচ্ছে দুইজন। তারা নাইনথ গ্রেডের এসএইচএসএটি এক্সাম দিবে নভেম্বরে। এখনও রেজেস্ট্রিশন হয়নি। শিগগিরই হবে।
আলিম আলম এর সঙ্গে কথা হচ্ছিল তার ৫৭ স্ট্রিট উডসাইডের টিউটোরিং অফিসে। তিনি বলেন, আমরা যারা এখানে কাজ করছি আমরা মনে করি, একজন স্টুডেন্ট কেবল স্পেশালাইজড হাইস্কুলে পড়লেই যে আইভি লীগ ইউনিভারসিটিতে চান্স পাবে, এটা ঠিক না। কারণ অনেকেই ওই স্কুলে গিয়ে মোটিভেশন না থাকার কারণে ও যাদের মোটিভেশন আছে কিন্তু ধরে রাখতে পারে না তারা শেষ পর্যন্ত আইভী লীগে চান্স পায় না। এর পেছেনে অনেক কারণ রয়েছে। প্রথম হলো একজন স্টুডেন্টের আইভী লীগে সুযোগ পাওয়ার জন্য সায়েন্স, ম্যাথ, ইংলিশসহ সব সাবজেক্টে যেমন ভাল নম্বর থাকতে হবে, জিপিএ ভাল থাকতে হবে। সেই সঙ্গে এক্সট্রা ক্যারিকুলার এক্টিভিটিজ থাকতে হবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে লিডারশিপ ও ক্রিয়েটিভ আর্টে যেমন প্রতিভা থাকা দরকার। তেমনি ছেলেদের জন্য একটি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ দরকার, সেই সঙ্গে দরকার হচ্ছে ভাল বক্তা হওয়া, ক্রিয়েটিভ আর্টে কিছু পারা, ডিবেট করতে জানতে হবে। এছাড়াও অনেক বিষয় আছে যেগুলো জানা দরকার। অর্থ্যাৎ একজন স্টুডেন্ট কেবল ভাল লেখাপড়া জানলে হবে না। তার অন্যান্য গুন থাকা দরকার। যার ভাল লেখা পড়ার পাশাপাশি অন্যান্য গুন রয়েছে তার পক্ষে আইভি লীগ সহ অন্যান্য বিষয়ে সুযোগ বেশি থাকে। পড়ালেখা শেষে চাকরির ক্ষেত্রেও তাদের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
আলিফ বলেন, আমরা সেভেন গ্রেড থেকে টুয়েলভ ক্লাস পর্যন্ত স্টুডেন্টদের জন্য টিউটোরিংয়ের সুযোগ রেখেছি। খুব বেশি সংখ্যক স্টুডেন্ট আমরা নিচ্ছি না। বাছাই করে করে নিচ্ছি। সেই সঙ্গে আমরা কেবল স্টুডেন্টদের টিউটোরিং করাচ্ছি বিষয়টি এমন নয়। আমরা বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলছি। যাতে করে তারা তাদের সন্তানদের আরও বেশি সময় দিতে পারেন। তাদেরকে সুযোগ্য হিসাবে গড়ে তুলতে পারেন। অনেকেই মনে করেন টিউটোরিং সেন্টার মানেই বাবা মায়ের কাজটি করে। এটা ভুল ধারণা। তারা সপ্তাহে আট ঘন্টা আমাদের কাছে আসে। আর বাবা মায়ের সঙ্গে থাকে বেশি সময়। এই জন্য বাবা মাকেই বেশি সময় দিতে হবে।
আলিফ আলম বলেন, আমাদের এখানে আসলে আমরা একজন স্টুডেন্টের জন্য একটি গাইড লাইন তৈরি করে দেই। যেমন একজন স্টুডেন্ট যে এখন ক্লাস নাইনে পড়ে তাকে স্যাট দিতে হবে ক্লাস টেনে। ২০১৯ এর জুনে দিতে হবে স্যাট সাবজেক্ট পরীক্ষা গুলো। এরপর এপি ক্লাস এর পরীক্ষাগুলো দিতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য পরীক্ষাগুলোও ওইভাবে সেটআপ করতে হবে। ক্লাস নাইন থেকে পরীক্ষার সিডিউল তৈরি করে এগুলো দিলে কোন টাই সমস্যা নয়। ভাল ফলাফল করার পাশাপাশি আইভি লীগের জন্যও নিজেকে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে বেশ কিছু টিউটোরিং সেন্টার আছে। তারা হার্ড স্কিল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সফট স্কিল তৈরিতে তেমন ভূমিকা রাখছে না। কিন্তু আমরা হার্ড ও সফট দুটিতেই গুরুত্ব দিচ্ছি। তিনি বলেন, এই কারণে অন্যদের সবার চেয়ে আমাদের টিউটোরিং সেন্টারটি আলাদা।
তিনি বলেন, এই দেশে যত কোম্পানী আছে এর বেশিরভাগ কোম্পানীতে এশীয়ানরা এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করে মিড লেভেলে পৌঁছাতে পারলেও টপ লেভেলে বসতে পারে না খুব একটা। হয়তো শতকরা ১০ ভাগ পারে। এর পেছনেও নানা কারণ আছে। আসলে আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে টপ লেভেলে যাওয়ার। সেই জন্য ভাল স্টুডেন্টের পাশাপাশি এক্সটা গুনগুলো থাকতে হবে। কারণ যার ওই সব গুন আছে সেই ভাল করবে। তিনি বলেন, একজন মানুষের পোশাক, চালচলন, শরীর ও চেহারাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এশীয়ানরা স্কিনের কারণে অনেক সময় অনেক সুযোগই পাচ্ছে না। যেটি একজন হোয়াইট মানুষের জন্য সহজ সেটা এশীয়ানদের জন্য অনেক কঠিন। তাই এমনভাবেই নিজেকে তৈরি করতে হবে যাতে করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। আইভি লীগ হোক আর এই দেশীয় একটি বড় কোম্পানী হোক তারা বোর্ড বসে বাছাই করে একটি স্টুডেন্টের কত বেশি ভাল ফল ও কত বেশি গুন আছে। লিডারশিপ কোয়ালিটি আছে। কেবল লেখাপড়া ও এর ফল দিয়ে সব হবে না। একজন মেধাবী সব সময় ভাল ও সফল সিইও হতে পারে না। কিন্তু একজন মেধাবী স্টুডেন্ট যার অন্যান্য গুন রয়েছে সে ভাল ও সফল সিইও হতে পারবে।
তিনি বলেন, একটি সন্তানের বাবা-মা যেমন তার ছেলে মেয়েরা সেই রকমই হবে। যারা মেধাবী তাদের সন্তান মেধাবী হবে। এটা জেনিটিক্যাল ব্যাপার। কিন্তু অনেক বাবা মাই তার সন্তানকে অন্যদের সন্তানের সঙ্গে তুলণা করে, বলে ও পারলে তুই পারবি না কেন? তাকে চাপ দেয়। আবার যে বিষয়ে তার আগ্রহ নেই সেই বিষয়ে পড়াতে চায় বা বাধ্য করে। এগুলো ঠিক না। একটি বাচ্চার কোন বিষয়ে আগ্রহ বেশি আছে। তার দূর্বলতা বেশি আছে সেই সব বিষয় বিবেচনা করে তাকে সেই বিষয়েই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা যারা এই প্রজন্ম তাদেরকে মনে রাখতে হবে আমাদেরকে মেইন স্ট্রিমে যেতে হবে। পিছিয়ে থাকলে হবে না। তিনি বলেন, ইদানিংকালের বাচ্চাদের বড় সমস্যা হচ্ছে মোবাইলে, ল্যাবটবে গেইম খেলা। আসলে তার দোষ দিয়ে লাভ নেই। এর পেছনে অভিভবাকবরা অনেকটা দায়ী। কারণ তার জন্য বাসায় অন্য কোন কিছু নেই সময় কাটানোর। এছাড়াও তার লেখাপড়ার জন্য ভাল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নেই। একজনের ভাল ফলাফলের জন্য তার জন্য বাসায় শান্তিপূর্ণ পড়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পড়ার সময় তাকে কেউ বিরক্ত করবে না। ডাকাডাকি করবে না। গেইমের পরিবর্তে তার জন্য গীটার, বেহালা কিংবা পিয়ানো শেখানোর ব্যবস্থা করা দরকার। যাতে সে সময় কাটাতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে যেসব বাচ্চারা এখানে আসে তাদের অনেকেরই ইংলিশে দুর্বলতা থাকে। সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য তাকে অবশ্যই বেশি বেশি পড়তে হবে। রিডিংটা জরুরী। তার যেটাই পড়তে ভাল লাগে সেটাই পড়বে। আসলে পড়াটাই জরুরী। সিনেমা দেখে ইংলিশের উন্নতি হবে এটা মনে করা ঠিক হবে না। কারো সায়েন্স ফিকসন পড়তে ভাল লাগলে সে সেটাই পড়বে।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে প্রতি শনিবার ও রোববার ক্লাস হয়। বেলা ১২টা থেকে চারটা পর্যন্ত। আমরা স্যাট ও এসএইচএসএটি ৩ মাস ও ছয় মাসের ক্লাস করাচ্ছি। এখানে টিউটরিং করা ছাড়াও গীটার ও পিয়ানো শেখানোর টিচার রয়েছে কেউ শিখতে চাইলে সেটাও শিখতে পারে।
তিনি বলেন, অনেক সময় বাবা মা জানতেও পারেন না তার সন্তানটি স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে কিনা আবার এটাও জানতে পারে না যে বাংলাদেশী বলে তাকে কত নেতিবাচক কথা শুনতে হয়। এইসব বিষয়গুলো থেকে তাদেরকে উত্তরণের জন্য সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ বাবা মা মনে করেন তার সন্তান ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা ল’ইয়ার হবে। কিন্তু এই সব বিষয়ে পড়া লেখা করতে তাকে কত বছর পড়তে হবে সেটা চিন্তা করে না। অথচ সে অন্য বিষয়ে পড়েও ভাল করতে পারে।
তিনি বলেন, একজন স্টুডেন্ট কেবল ভাল স্কুল কিংবা ভাল ইউনিভারসিটিতে গেলেই হবে না। তাকে সেখানে যাওয়ার পর নিজের মেধা ধরে রাখতে হবে। সেই হিসাবে কাজ করতে হবে। নিজেকেই সাফল্যের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে। মোটিভেশন থাকতে হবে। মোটিভেশন না থাকলে হবে না। একটি সন্তানের সঙ্গে যাতে বাবা-মা এবং ভাইবোনদের দূরত্ব তৈরি না হয় সেটা দেখতে হবে। বাবা-মায়েরা অনেক সময় বুঝতে পারেন না, সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ফেলে, এটা করা যাবে না।
তিনি বলেন, আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য কেবল বইয়ের পড়া পড়ানো না এর পাশাপাশি একজন সুযোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার পথও বাতলে দেওয়া। এই জন্য আমরা অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলবো অন্তত একবার হলেও আমাদের এখানে আপনাদের সন্তানকে নিয়ে আসেন। তারপর টেস্ট ক্লাস করিয়ে দেখুন। ভাল লাগলে এরপর ভর্তি করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমরা ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির জন্য কাজ করছি। আমরা সবাই যেমন ভাল স্কুলে পড়েছি। তেমনি ভাল ইউনিভারসিটিতে পড়েছি। আমরা জানি একজনের জীবনে সাকসেস ফুল হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন? আমরা আমাদের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেও তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here