print

ইমিগ্রেশন নিয়ে বোল্টন ও কেলীর মধ্যে প্রকাশ্যে বিতণ্ডা

37

ঠিকানা রিপোর্ট : ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন পলিসি নিয়ে হোয়াইট হাইজ চিফ অব স্টাফ জন কেলী ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজার জন আর বল্টনের মধ্যে বাক বিতণ্ডা প্রকাশ্যে রূপ নেয়। তাদের দুজনের আক্রমণাত্মক চিৎকার ধ্বনি হোয়াইট হাউজের চত্বরে দেখা যায় ও শোনা যায়। গত ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট করে যে, জন কেলী মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন কমানোর যে নীতি তা যুক্তরাষ্ট্রে মাইগ্রেন্টদের আক্রমণকে নিরুৎসাহিত করতে পারেনি। আর এ সমস্যা ট্রাম্প প্রশাসনকে বিচলিত করেছে। অন্য দিকে জন বোল্টন মনে করেন এই ব্যর্থতার জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি কাস্টেন নেইলসন দায়ী, কারণ তিনি নীতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। নেইলসনকে জন কেলী সমর্থন করেন তার অনুসারী হিসেবে, প্রত্যক্ষদর্শী একজন বলেন, তাদের মধ্যে বাক বিতণ্ডা স্বাভাবিক অন্যান্য দিনের বাক বিতণ্ডার চাইতে বেশি। এই দুই সেক্রেটারি সেন্ট্রাল আমেরিকান দেশসমূহ তাদের নাগরিকদের দেশত্যাগে তেমন ব্যবস্থা যে নিচ্ছে না তা নিয়েও মতানৈক্য প্রকাশ করে। এই বাক বিতণ্ডা হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন টুইট করেন যে, আলসালভেদর, গুয়াতেমালা ও হন্ডুরাস থেকে লোক আসার মিছিলের পেছনে ডেমক্রেটরা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। তারা মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যোগ দেন। প্রেসিডেন্ট বর্ডার সীল করা হবে বলে হুমকি দেন এবং সেন্ট্রাল আমেরিকার সরকারসমূহকে ফরেন এইড দেয়া বন্ধ করার কথা বলেন।
নির্বাচনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাচ্ছেন সেন্ট্রাল আমেরিকান ক্যারাভান আক্রমণের জন্য ডেমক্রেটদের ওপর দোষ চাপাতে। কেলী ও বোল্টনের ঝগড়া নিয়ে হোয়াইট হাউজ সরাসরি কোন মন্তব্য করেনি।
সারাহ ওকাভে হোয়াইট হাউজ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে সত্য মিথ্যা মিশ্রিত করে বলেন, আমরা অবৈধ ইমিগ্র্যান্ট ইস্যু সমাধানে বদ্ধপরিকর এবং আমরা তা নিয়ে একে অপরের প্রতি ক্ষুব্ধ নই। তিনি বলেন, ট্রাম্প টিম বিষয়টি নিয়ে ডেমক্রেটদের ওপর ক্ষুব্ধ।
নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসেই ১৬,৬৫৮ জন লোকের পরিবারকে যারা আমেরিকায় আসতে চাচ্ছে তাদের সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সংখ্যা এক মাসে সর্বোচ্চ। এবং গত এক বছরে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ১০৭,২১২। ২০১৬ অর্থবছরে গ্রেফতার হয়েছিল ৭১,৮৫৭। সেন্ডারস বলেন, এখনও ডেমক্রেটদের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা ছাড়া হোয়াইট হাউজ ভালোই এই সমস্যা নিয়ে এগুচ্ছে। প্রশাসন সীমান্তে ভালো কাজ করছে। জনকেলী একমাস পূর্বে কোরী লডেনস্টেইনকে সার্টেওর কলার ধরে টান মারে প্রকাশ্যে।
কাভানার রক্ষণশীল ভূমিকা
গত সপ্তাহে ইমিগ্রেশন বিষয়ে শুনানিতে জাজ কাভানাহ তার স্বভাবসুলভ আচরণে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের নিযুক্ত অন্য বিচারপতি গরসাচ ইমিগ্রেশনের পক্ষে ভূমিকা নেন বলে আরেক রিপোর্টে জানা যায়।
কাভানাহ বলেন, ১৯৯৬ সালে ফেডারেল ল’ কতদিন কোন অবৈধকে আটকে রাখা যাবে, তার কোন সীমানা নির্ধারিত হয়নি।
অন্যদিকে গরসাচ বলেন, সরকারের ক্ষমতায় কোন সীমা কি নেই? বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here