print

সাংবাদিক শহীদুল আলমের মুক্তি চেয়েছে ৫৩ জন শিক্ষক

0

ঠিকানা রিপোর্ট: সাংবাদিক শহীদ শহীদুল আলমের মুক্তি চেয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫৩ জন শিক্ষক। তারা শহীদুল আলমের মুক্তি দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। স্মারকলিপিটি প্রদান করা হয় গত ১৪ অক্টোবর। বিবৃতিতে তারা বলেন, শহীদুল আলমকে জেলে বন্দী করে রাখা মানবাধিকারের লংঘন। ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আল জাজিরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছিলেন। এটা ছিলো তার ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা। সাংবাদিক শহীদুল আলমের সেই সাক্ষাতকারকে কেন্দ্র করে সরকার তাকে গ্রেফতার করে। ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। উল্লেখ্য, ঢাকাতে ২ ছাত্রকে বাদ চাপা দিয়ে হত্যার কারণে ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলনে নেমেছিলো। সেই আন্দোলনেও কয়েকজন ছাত্র মারা যায় এবং ২ শতাধিক ছাত্রছাত্রী পুলিশি নির্যাতনে আহত হয়। তারা বিবৃতিতে অভিলম্বে শহীদুল আলমের মুক্তি দাবি করেন। শহীদুল আলমের মুক্তির দাবিতে ১২ জন নোবেল বিজয়ীও বিবৃতি দিয়েছিলেন।
যে সব শিক্ষক শহীদুল আলমের মুক্তি দাবি করে বিবৃতি দিয়েছেন তারা হলেন নয়াদিল্লির জহরলালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আমিরাটর্স রোমিলা থাপার, উইনকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর মার্ক সাইডেল, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর মিত্রা সারাফাই এবং ডিরক্টের সুমুদু আতাপাত্তু, পাকিস্তানের আইন এবং পলিসি নেটওয়ার্কের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ওসামা সিদ্দিকী, লন্ডনের স্কুল অব ইকোনোমিস্টের সোসাল পলিসি এন্ড ডেভেলপমেন্টের প্রফেসর ডেভিড লুইস, ইলিনয় ইউনিভার্সিটির পলিটিক্যাল সাইন্সের শিক্ষক আলী রিয়াজ এবং সহকারি প্রফেসর তারিক ওমর আলী, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রফেসর মায়া জাননেফো, কর্নেল ল’ স্কুলের আইন বিভাগের প্রফেসর আজিজ রানা, ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রফেসর সায়রা চৌধুরী, ইয়েল ইউনিভার্সিটির ইতিহাস বিভাগের সরকারি প্রফেসর রোহিত দে, হংকংএর চাইনিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর সুরবি চোপরা, কিউনি ল’ স্কুলের এসোসিয়েট প্রফেসর সামতলি হক, ভারতের জিন্দাল গ্লোবাল ল’ স্কুলের এসোসিয়েট প্রফেসর প্রভাকর সিং, ইজিপ্টের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর উষা নটরাজন, কানাডার ক্যাকগেইল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর নরেদ্র শুভামানিয়াম, ভারতের কলকাতা হাই কোর্টের এডভোকেট ঋতুপর্ণা দে এবং অমৃতা ঘোষ, ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর নীতি নারি, বোডিন কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর রিচাল সুত্রামান, কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর টবি গোল্ডবিচ, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর ডিনা সিদ্দিকী, অস্ট্রেলিয়া ল’ রিফর্ম কমিশনের কন্সাল জেনারেল ম্যাথুউ ক্ররগেইন, আমেরিকার এ্যামহেস্ট কলেজের সহকারি প্রফেসর নুশরাত চৌধুরী, কানাডার উইনডোস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রফেসর এস সেন্থি, পাকিস্তানের ইনস্টিটিউট এন্ড ডেভেলপমেন্টের মরিয়ম খান, বাংলাদেশের লেবারেল আটর্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর সামিয়া আহমেদ সেলিম, ক্যান্টাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শ্রীমতি বসু, সারাহ লওরেন্স কলেজের প্রফেসর শাহনেওয়াজ রোজি, জোহানেন্সবার্গের উইটস্টাট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর স্যালেনি সিবান্ধা, অস্ট্রেলিয়ার কার্ট্রিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোস্তফা হায়দার, গ্লোবাল ইয়ং ইউনিভার্সিটির ক্রিস্টিনা ব্লাঙ্কো, ইউকে সিটি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. কালপোজিস, ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রফেসর মার্সিয়া রায়ানু, কানাডার ম্যাকগেইল ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট প্রফেসর শুভ বসু, আমেরিকার অব্রাইন কলেজের সহকারি প্রফেসর রাশিদ চৌধুরী, অস্ট্রেলিয়ার নিউসাউথ ওয়ালর্স ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মিলিশিয়া ক্রোস, পেনসিলভেনিয়া ইউনিভার্সিটির সহকারি প্রফেসর দাউদ আলী, ম্যাসাচুসাস ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট প্রফেসর সাবতি সাহা, নিউস্টন ইউনিভার্সিটির সহকারি প্রফেসর অরিত্র মজুমদার, পাকিস্তানের লাহোর ইউনিভার্সিটির সহকারি প্রফেসর তানিয়া সাজেদ, পাকিস্তানের সিন্ধু হাই কোর্টের এডভোকেট সুমাইয়া জায়েদী, পাকিস্তানের লাহোর ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট প্রফেসর নাদিমা কিরমাই, টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রফেসর ওয়াক্স বাট, কানাডার ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ছাত্র হ্যানা শামস আহমেদ, পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উৎপল সান্দেশারা, কর্নেল ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট ডক্টও নাতাশা রাহিজা, জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউটের ম্যাক্স স্টিলি, ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্র সাদ কাশেম, ইলিনয়ন ইউনিভার্সিটির ছাত্র মিজানুর রহমান এবং ছাত্রী সিনথিয়া ফরিদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here