হুমায়ূন আহমেদের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার

নিউইয়র্কের ঝকঝকে রোদে

7

২০১১ সাল। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ তখন নিউইয়র্কে। তার কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছে বিশ্বখ্যাত মেমোরিয়াল স্লোগান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে। ৮ নভেম্বর তার ৪ নম্বর কেমোথেরাপি শেষ হয়েছে। ১৩ নভেম্বর তার ৬৯তম জন্মদিন দেশে নানা আয়োজনে উদ্যাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে সে সময় নিউইয়র্কে অবস্থানরত হুমায়ূন আহমেদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন মাজহারুল ইসলাম। প্রকাশক ও সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সেখানে অবস্থান করছিলেন হুমায়ূন আহমেদের পারিবারিক বন্ধু হিসেবে। চিকিৎসার শুরু থেকেই তার পাশে ছিলেন। সাক্ষাৎকারটির নির্বাচিত অংশ একটি জাতীয় দৈনিকের পাঠকদের জন্য মুদ্রিত হলো-

প্রশ্ন : স্যার, অনেক দিন পর দেশের বাইরে আপনার জন্মদিন হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশেও আপনার প্রকাশকরা জন্মদিন উৎসবের আয়োজন করেছে। এখানেও নানা ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। সব কিছু মিলিয়ে আপনার কেমন লাগছে?

হুমায়ূন আহমেদ : শোনো মাজহার, এই মুহূর্তে জন্মদিন নিয়ে আমি মোটেও চিন্তা করছি না। বুঝতেই পারছ, যে কারণে এখানে এসেছি, কারণটি ভিন্ন। বেশ জটিল কারণ। এ জাতীয় একটা কারণ মাথায় নিয়ে কেউ যখন আমেরিকায় আসে বা অন্য কোনো দেশে যায়, তখন তার মাথায় আর যা-ই থাকুক, জন্মদিন থাকে না। এই মুহূর্তে আমার মাথায় কোনো জন্মদিন নেই। তার পরেও সবাই মিলে একটা হইচই করার চেষ্টা করছে। ইটস ফাইন। ঠিক আছে। করুক কিছু হইচই। আমি তার সঙ্গে থাকব দ্যাটস ইট।

মহের আফরোজ শাওন : আমরা আশা করছি যে এর পরে শুধু জন্মদিন পালন করার জন্য একবার দেশের বাইরে যাবো। এবার তো অন্য একটি কারণে দেশের বাইরে আসা। আমি যতদূর জানি এবং যত দিন থেকে দেখছি দেশের ভেতরে যারা প্রিয় মানুষ আছে, তাদের সঙ্গে জন্মদিন পালন করতে অনেক বেশি পছন্দ করে। এখানে আমরা মোটামুটি একা একাই জন্মদিন পালন করছি। আমাদের প্রিয়জন, আত্মীয়স্বজন সবাই দেশে আছে। সে জন্য মন বেশ খারাপ।

প্রশ্ন : আশা করি, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আপনাকে অবশ্যই সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে শিগগিরই। তো আগামী বছর আমরা অবশ্য দেশেই আপনার জন্মদিন পালন করব। একটু অন্য প্রসঙ্গে দু-একটি কথা জানতে চাই। যেমন জন্মদিন উপলক্ষে আপনার একটি বই প্রকাশিত হচ্ছে। বইটির নাম হলো ‘রঙপেন্সিল’। এই বইটিকে কি স্যার আপনার আত্মজৈবনিক লেখা বলব, নাকি একেবারেই ব্যক্তিগত রচনা?

হুমায়ূন আহমেদ : আত্মজৈবনিক লেখা কোনোভাবেই বলা যাবে না। বলা যেতে পারে ব্যক্তিগত রচনা। যখন যেটা মনে হয়েছে লিখেছি। এ জাতীয় লেখা লিখতে আমি পছন্দ করি। বেশ কয়েকটি লিখেছি। কিছু হয়তো বা আত্মজৈবনিক পর্যায়ে পড়বে। কিছু লেখা অবশ্যই ব্যক্তিগত লেখা। কিছু লেখা আবার নৈর্ব্যক্তিক লেখা, ব্যক্তিগত না- এ রকমও রয়েছে।

প্রশ্ন : চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে আসার পর আপনি যে লেখাগুলো লিখেছেন, এগুলোও আমরা একই রকমভাবে ব্যক্তিগত রচনা বলতে পারি?

হুমায়ূন আহমেদ : এগুলোকে ব্যক্তিগত রচনা বলা যেতে পারে। তবে এখানে আত্মজৈবনিক ভাবটা প্রবল আছে। আমি নিজেকে নিয়েই চিন্তা করে করে লিখছি। পাশে বাচ্চারা কেমন করছে, আমার স্ত্রী কী করছে, তোমরা যারা আছ, তোমরা কী করছ, এগুলো লেখায় উঠে আসছে। সেই অর্থে এই লেখাগুলো আত্মজৈবনিক বলা যেতে পারে।

প্রশ্ন : আমাজানডটকম আজ আপনার জন্মদিনে আপনার ৬৪টি বই তাদের সাইটে আপলোড করেছে বিক্রির জন্য। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে আপনার পাঠক যারা আছে তারা ইচ্ছা করলে বইগুলো কিনতে পারবে।

হুমায়ূন আহমেদ : শুনে আমার ভালো লাগছে। পৃথিবীর অনেক জায়গা, যেখানে সরাসরি কেউ আমার বই কিনতে পারে না, যে মানুষটি আলাস্কায় থাকে, সে বই কোথা থেকে পাবে? ওরা যদি এখন এসব আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বইগুলো পায়, ওদেরও ভালো লাগবে।

প্রশ্ন : আরেকটা বিষয়, স্যার। আপনার চিকিৎসার জন্য আমেরিকায় আসার পর আমরা জানতে পারলাম, আমেরিকার বিভিন্ন স্কুলে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজির পাশাপাশি স্প্যানিশ বা অন্যান্য ভাষা পড়ানো হয় এবং বাংলাও অনেক স্কুলে পড়ানো হয়। সেসব স্কুলে আপনার একটি বই, ‘নন্দিত নরকে’ পাঠ্যপুস্তক হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

হুমায়ূন আহমেদ : আমার তো শুনে ভালোই লাগছে। তবে শেষের দিকের একটা বই দিলে ভালো হতো। প্রথম দিকের বই তো। প্রথম দিকের বইয়ের প্রতি আমার মমতাটা একটু কম। যতই শেষের দিকে যাচ্ছি, ততই বইয়ের প্রতি মমতাটা বাড়ছে। ‘নন্দিত নরকে’ না দিয়ে যদি অন্য কোনো বই দিত, আমার ভালো লাগত বেশি।

মেহের আফরোজ শাওন : সচরাচর লেখকদের প্রথম দিকের উপন্যাসের দিকে ভালোবাসাটা একটু বেশিই থাকে। প্রথম সন্তানের মতো একটা ভালোবাসা। সে ক্ষেত্রে ‘নন্দিত নরকে’র প্রতি ভালোবাসা কম কেন?

হুমায়ূন আহমেদ : কম, কারণ এই উপন্যাসে অনেক দুর্বলতা আছে, যেটা পরবর্তী সময়ে আমি কাটিয়ে উঠেছি। তুমি যদি ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ উপন্যাসটা পড়ো, তাহলে পার্থক্যটা টের পাবে। ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ রিয়াল উপন্যাস বা ‘মধ্যাহ্ন’ বা ‘অপেক্ষা’ এগুলো সত্যিকারের উপন্যাস। ‘নন্দিত নরকে’ এক ধরনের নিরীক্ষা বলা যেতে পারে।

প্রশ্ন : আমরা জানি যে আপনি পিএইচডি করার সময় আমেরিকায় ছিলেন দীর্ঘ সময়। এরপর আপনি বিদেশে এত দীর্ঘ সময় কখনো মনে হয় থাকেননি। কিন্তু আপনি বেড়াতে পছন্দ করেন। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন। এই যে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, এখানে একটা বাসা ভাড়া নিয়েছেন, সেই বাসাটা রীতিমতো নতুন একটা সংসারের মতো। বিষয়টা আপনার কাছে কেমন লাগছে?

হুমায়ূন আহমেদ : শুনতে খুবই অদ্ভুত মনে হতে পারে। বিষয়টা আমার ভালো লাগছে। ভালো লাগার কারণ হচ্ছে প্রচুর বইপত্র জোগাড় হয়েছে। বাসায় এত সময় পাই না বই পড়ার। আমার বন্ধুবান্ধব যে যেখানে আছে, তারা জানে আমার রুচি। ওখান থেকে সমানে বই পাঠাচ্ছে। এখানকার লাইব্রেরির আমি সদস্য হয়েছি। বই পড়ার সুযোগটা পাচ্ছি। বাচ্চা দুটি সারাক্ষণ আমার পাশে ঘুরঘুর করছে। তোমরা যারা আমার চারপাশে আছ তারা নানা রকম মজার মজার রান্না করে খাওয়াতে চাচ্ছ। এটাও ভালো লাগছে। শাশুড়ি চলে এসেছেন বাংলাদেশ থেকে। খোকন এলো সিঙ্গাপুর থেকে। এখন জাপান থেকে আসছে নাসির। সে-ও ১০-১২ দিন থাকবে। তারপর শাওনের ছোট বোন, সে-ও রেডি হয়ে আছে এখানে আসার জন্য। এটা সবাই করছে এ জন্য যে আমি যেন কখনো একা না থাকি। ব্যাপারগুলো যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। ঢাকায় আমি কখনো ঘর থেকে বের হই না। ঘরেই বসে থাকি। গর্তজীবী। এখানে সকালবেলা যখন রোদ ওঠে, রোদটা খুব চমৎকার, আমি রোদের মধ্যে কিছুক্ষণ বসে থাকি সিঁড়িতে। সামনে দিয়ে সব আমেরিকান যাচ্ছে, কথাবার্তা বলছে, গল্পগুজব করতে করতে যাচ্ছে, আমি সিঁড়িতে বসে আছি, ওদের দিকে তাকিয়ে আছি। আমার কাছে খুবই ইন্টারেস্টিং মনে হয়।

মনে পড়ে, নর্থ ডাকোটা প্রচণ্ড ঠাণ্ডার দেশ। টকটকে আগুনগরম পানিতে গোসল করতাম। ওই সময়টা ভালো লাগত। জানি না কেন। এরপর অভ্যাস হয়ে গেছে। সারা জীবনই গরম পানিতে গোসল করেছি। এখানেও তা-ই করি। প্রচণ্ড গরম পানি, গা পুড়ে যাওয়ার মতো, তখন সেই পানিতে গোসল করি।

মাঝেমধ্যে বেড়াতে বের হই। এমন সব জায়গায় যাই, যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। অচেনা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে আমার। কেউ আমাকে চিনতে পারছে না। নিজের মনে আমি ঘুরে বেড়াচ্ছি। তাই বলে মনে কোরো না যেকোনো বাংলাদেশির সঙ্গে দেখা হলে বিরক্ত বোধ করি। তা-ও না। একটা সময় আসে মানুষ একা থাকতে চায়, নিজেকে অবগুণ্ঠনের মধ্যে রাখতে চায়। আমার এই সময়টা যাচ্ছে। কেটে যাবে। একসময় অবশ্যই কেটে যাবে। আবার হৈ-হুল্লোড় করে বেড়াব আমি। বাচ্চা দুটির জন্য একটু খারাপ লাগছে। ওরা আমার কারণে বন্দী হয়ে পড়েছে ঘরের ভেতর। আমার স্ত্রীর জন্য খারাপ লাগছে না। এটা তার নিয়তি। পার্ট অব হার লাইফ। তোমার জন্য খারাপ লাগছে না। মাঝেমধ্যে বাচ্চা দুটিকে দেখলে আমি একটু গিলটি ফিল করি। মাই গড দে আর সাফারিং ফর মাই ডিজিজ। আমার রোগের জন্য আমি সাফার করব। আমার রোগের জন্য অন্যরা কেন সাফার করবে?

প্রশ্ন : ‘নিউইয়র্কের নীল আকাশে ঝকঝকে রোদ’, এই লেখাটি লিখছেন স্যার আপনি। লিখতে গিয়ে নিজেকে আগের মতোই স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন?

হুমায়ূন আহমেদ : এটা নিয়ে আমিও খুব চিন্তাগ্রস্ত ছিলাম যে আদৌ আগের মতো লেখালেখি করতে পারব কি না। আমার যে ডাক্তার চিকিৎসা করছেন, নাম স্টিফেন আরভিচ, তিনিও আমাকে বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন, তুমি তো হাতে লেখো? আমি বলেছি, হ্যাঁ, আমি হাতে লিখি। তিনি বললেন, আমরা যে কেমোথেরাপিটা দিচ্ছি এটার একটা নিউরো সমস্যা রয়েছে। তোমার হাতের আঙুলগুলো শক্ত হয়ে যেতে পারে। এটা নিয়ে কী করা যায় চিন্তা করছি। বিষয়টা নিয়ে আমি চিন্তিত ছিলাম। হ্যাঁ, আমার লেখার সময় সমস্যা হচ্ছে। মাঝেমধ্যে আঙুলগুলো শক্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ব্রেনের ভেতর লেখা তৈরির ব্যাপারটা তাতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

প্রশ্ন : তাহলে স্যার আমরা আশা করতে পারি যে আগামী বইমেলায় আপনার অনেক বই পাঠকদের হাতে যাবে।

হুমায়ূন আহমেদ : (হেসে) অবশ্যই। আমাকে তো ইচ্ছা করেই কিছু বেশি বই লিখতে হবে। চিকিৎসার খরচ জোটাব কোথা থেকে?

প্রশ্ন : দেশ থেকে যদিও বহুদূরে আছেন। কিন্তু আপনার কোনো কাজই থেমে নেই। আপনার কলম থেমে নেই। নিয়মিত যে কাজগুলো করেন ঈদ এলে নতুন নাটক, বইমেলা এলে নতুন বই। কোনো কিছুই আসলে থেমে নেই। এটা বড় একটা আনন্দের সংবাদ তো বটেই।

হুমায়ূন আহমেদ : ঠিকই বলেছ। কোনো কিছুই থেমে নেই। বাংলাদেশের যে কয়েকটা টিভি চ্যানেল আছে, প্রতিটি টিভি চ্যানেল এখানে আছে। কাজেই দেশের সঙ্গে যোগাযোগ টেলিভিশনের মাধ্যমে সব সময়ই আছে। আমাদের বন্ধুবান্ধব বাংলাদেশ থেকে শত শত ডিভিডি পাঠিয়ে দিয়েছে ছবি দেখার জন্য। সেই ডিভিডিগুলো এখন দেখছি। একটা বিষয়ে আমার অস্বস্তি আছে। শাওন যখন বাজার করতে যায় বা তুমি যখন বাজার করতে যাও, ওরা তোমাদের চিনে ফেলে। বেশির ভাগ দোকানে বাঙালি কর্মচারী আছে। ওরা কেউ টাকা নিতে চায় না। বলে, না স্যার, টাকা লাগবে না। হয়তো বা ভালো লাগার ব্যাপার। কিন্তু আমার কাছে খুবই অস্বস্তি লাগে।

প্রশ্ন : ঠিক বলেছেন স্যার, আমরা অস্বস্তির মধ্যে পড়ে যাই। মাঝেমধ্যে এ রকম ঘটনা ঘটে, বিশেষ করে খাবারের দোকানে। কখনো টাকা নিতে চায় না। জোরাজুরি করলে অর্ধেক টাকা নেয়। এটা আসলে আপনার প্রতি মানুষের ভালোবাসা।

হুমায়ূন আহমেদ : আমি ছোট্ট একটা ইন্টারেস্টিং কথা বলতে চাচ্ছি, সেটা হলো, এই আমার দুটি বাচ্চা এখানে আছে, যারা আসছে তারা কী করে জানো। এরা মাঝেমধ্যে গিফট কিনে নিয়ে আসে আমাদের জন্য। এরা বাসায় ঢুকলে আমার অস্বস্তি হবে, সমস্যা হবে। তাই গিফটগুলো প্যাকেট করে দরজার পাশে রেখে যায়। আমাদের এখন প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দরজা খুলে দেখা নতুন কোনো গিফট এলো কি না। বাড়ি ভর্তি গিফট ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।

প্রশ্ন : দেশে জন্মদিনের উৎসব নানাভাবে পালিত হচ্ছে, আমরা জেনেছি। এ বিষয়টা নিয়ে আপনার পাঠক, ভক্ত তাদের উদ্দেশে যদি কিছু বলেন।

হুমায়ূন আহমেদ : পাঠকদের ভালোবাসার সঙ্গে আমি অনেক দিন থেকেই পরিচিত। এটা লেখকের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। ভালোবাসা যেকোনো পর্যায়ে, সেটা আমি টের পেতাম না, যদি না এই ভয়াবহ ব্যাধিটা হতো। এই ভয়াবহ ব্যাধি হওয়ার কারণে আমি যে অবস্থাটা দেখছি কম্পিউটারে, পত্রপত্রিকায়, এখানে, নিউইয়র্কের পত্রিকায় দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছি। বারবারই মনে হচ্ছে সেই বিখ্যাত লাইনগুলো, ‘আমি অকৃতি অধম বলেও তো কম করে মোরে দাওনি। যা দিয়েছ তারে অযোগ্য ভাবিয়া কেড়েও তো কিছু লওনি।’

প্রশ্ন : আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে যেখানে আপনার যত পাঠক, ভক্ত আছে সবার পক্ষ থেকে আমি আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুভ জন্মদিন।

হুমায়ূন আহমেদ : থ্যাংক ইউ। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here