মিলনের মুক্তির দাবি

4

ঠিকানা রিপোর্ট : বিএনপির শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক মিলনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কুমিল্লাবাসী। একইসাথে কাজী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে জারিকৃত হুলিয়া প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।
গত ২৪ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই জ্যামাইকায় হিলসাইডে এই বিক্ষোভে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সহ সভাপতি ও কুমিল্লা সমিতির উপদেষ্টা আব্দুল খালেক খায়ের, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি সদস্য ও বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সাবেক সভাপতি আজাদ বাকের, দেওয়ান শামীম, জহিরুল ইসলাম মোল্লা, রূপসী চাঁদপুর সমিতির কর্মকর্তা ও জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জসীমউদ্দিন, সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি সাঈদুর রহমান সাঈদ, যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান কাওসার, তারেক পরিষদের নেতা হুমায়ূন কবীর, আনিসুর রহমান, মাহিদুল ইসলাম, শরিফ চৌধুরী, আবু নেছার, রাশিদুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলমগীর, হুমায়ুন কবির প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল খালেক খায়ের এবং পরিচালনা করেন সাইফুল ইসলাম।
জসীমউদ্দিন তার বক্তব্যে ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনা ও তার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ‘গণতন্ত্রের লেবাসে নব্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কারণে বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত।’ মাওলানা অলিউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনে জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেফতার করে আওয়ামী-বাকশালীরা আবারো ক্ষমতায় যেতে চাচ্ছে। কিন্তু বাংলার জনতা আর সে সুযোগ দেবে না।’
‘কুমিল্লা অঞ্চলের জনপ্রিয় রাজনীতিকদের অন্যতম ব্যারিস্টার রফিক, এহসানুল হক মিলন আর কায়কোবাদের বিজয় কোনভাবেই ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। ব্যালট বিপ্লবের মধ্য দিয়েই তাদেরকে কারামুক্ত করা হবে’-বলেন সাঈদুর রহমান।
আজাদ বাকির বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে আবারো ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা আসলে নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না, তারা চায় ক্ষমতা।
বিক্ষোভ সমাবেশে তারা সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।
ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্যালিফোর্নিয়া শাখা। বিবৃতিতে তারা বলেন, বিভিন্ন গায়েবি মামলায় এখনও বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার-হয়রানি করছে এই স্বৈরাচারী সরকার। নির্বাচনে হেরে যাবার ভয়ে এখন গুম-খুন চলছে। এখনও নদীতে লাশ পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ ভোটের রায়ে এই স্বৈরাচারের বিচার করবে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সভাপতি শামসুজ্জোহা বাবলু, সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমান, সহসভাপতি নিয়াজ মোহাইমেন, সাইফুল আনসারী চপল, আহসান হাফিজ রুমি, জুনেল আহমেদ, আফজাল হোসেন শিকদার, অপু সাজ্জাদ, শওকত হোসেন আনজিন, নুরুল ইসলাম, মার্শাল হক, আশরাফুল আলম হেলাল, আবুল হাসনাত মন্টু চৌধুরী, ইলিয়াস শিকদার, এলেন ইলিয়াস খান, সবুর খান মামুন, হাসানুজ্জামান মিজান, মোহাম্মদ মঞ্জু, মোহাম্মদ রফিক, বাদল খান, মোহাম্মদ সেলিম রেজা পিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হাওলাদার, রনি জামান, মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান জুয়েল, আলমগীর হোসেন, আসাদুজ্জামান রাজু, দেলোয়ার চৌধুরী, মোহাম্মদ কামাল হোসেন তরুণ, সহ সাধারণ সম্পাদক নাজিম খান টিটো, খন্দকার জাভেদ, হোসেন লিটু, শেখ সেলিম, হেলাল আহমেদ ভূইয়া, মোহাম্মদ শাহানুর, মোহাম্মদ ফরিদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাহীন, লোকমান হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের সাজু, সহ দপ্তর সম্পাদক মোশাররফ হোসেন ইমন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সহ কোষাধ্যক্ষ আক্তার মাতুব্বর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পলাশ, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবুল কায়সার, প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাহ নেওয়াজ, সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম আসিফ, ক্রীড়া সম্পাদক ইফতেখার হোসেন ফাহিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক কোহিনুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক সাঈদ খান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ বেলাল, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাহতাব কবির ভূঁইয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহনাজ বুলবুল, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহেল মিয়া, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস কবির সুজন, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রাজু ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফরিদা বেগম, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মনিরা মিজান, আইন বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক সারোয়ার সুমন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের, সহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত মুন্না, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ খসরু রানা, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here