নদীর এপার কহে…

5

খালেদা বেগম

ডাক শুনে পিছন ফিরে তাকায় ও। না, পরিচিত কাউকে দেখতে পায় না। বোধ হয় ভুল শুনেছে! আবার হাঁটতে থাকে ও। এবার একেবারে পিছনেই ডাক শুনতে পায়। সেই সঙ্গে ঘাড়ে কারো স্পর্শ!
– এই ইয়াসমিন, কিরে শুনতে পাশ না? কতদূর থেকে তোকে দেখে ছুটতে ছুটতে আসছি!
বক্তার মুখের দিকে তাকায় এবার ও। না, চিনতে পারে না! ছোট করে ছাঁটা চুল, ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক, পরণে জিন্সের সঙ্গে ঢিলেঢালা ফতুয়া। বয়স ত্রিশ, চল্লিশ না পঁয়তাল্লিশ, তাও আন্দাজ করা কঠিন!
– কি রে চিনতে পারছিস না আমাকে? ওহ্ গড্, একেবারেই ভুলে গেছিস!
কপালের কাঁটা দাগটা এবারে নজরে পরে। বিদ্যুৎ চমকের মত মনে পড়ে যায়।
– আরে হামিদা না? তা চিনব কী করে বল? তুই কি আর তুই আছিস!
দু’জনেই হেসে ওঠে হো হো করে।
হামিদা। ইন্টারমেডিয়েটে সরকারি কলেজে এক সঙ্গে পড়ত। শান্তশিষ্ট, চাপা স্বভাবের মেয়ে। তবে বেশ জেদি। লম্বা দু’টো বেনী ঝুলিয়ে কলেজে আসত। পড়াশুনায় ছিল মোটামুটি। একবার পরীক্ষার সময় ইয়াসমিনের ঠিক পিছনেই সিট পড়েছিল। ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্ন সেবার বেশ কঠিন হয়েছিল। পরীক্ষার হলে ভীষণ যন্ত্রণা করেছিল হামিদা। খাতা দেখায়নি বলে রীতিমত রাগ হয়ে গিয়ে ইয়াসমিনের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করেছিল। আসলে কীভাবে দেখাবে খাতা, ইনভিজিলেটরের টেবিলের সামনেই পড়েছিল ইয়াসমিনের সিট। বছর পাঁচেক আগে কলেজ রি-ইউনিয়নে শেষ দেখা। এতটা পরিবর্তন তখনও চোখে পড়েনি। ইয়াসমিনের তখন পনের বছরের বিবাহিত জীবন, আর হামিদা তখনও বিয়ে করেনি। প্রশ্নোত্তরে বলেছিল
– দূর, কী হবে বিয়ে করে? রান্নাঘর আর ছেলেপুলে সামলান তো? ওসব আমার দ্বারা হবে না। এই বেশ আছি!
কথাবার্তায় এত চটপটে ভাব দেখে তখনই খুব আশ্চর্য হয়েছিল ইয়াসমিন। ইয়াসমিনের মেয়ে তখন ক্লাস এইটে পড়ে। ছেলেটা সিক্সে।
বর্তমানে ফিরে আসে ইয়াসমিন।
– তো, কী করছিস এখন? থাকিস কোথায়?
– আরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কি এত কথা বলা যায়? চল ঐ কফি শপে বসে একটু আড্ডা দেয়া যাক। তোর তাড়া নেই তো? সংসারী মানুষ, কত দায়িত্ব, কর্তব্য!
প্রচ্ছন্ন খোঁচাটুকু সহ্য করতেই হয় ইয়াসমিনকে।
– না, তেমন কোন কাজ নেই। একটা গিফট কিনতে এসেছিলাম। তা পরে কেনা যাবে। চল বসি।
ইয়াসমিনকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই দুটো কফি আর স্যান্ডউইচের অর্ডার দেয় হামিদা।
– দেখ, আমি তোকে ধরে এনেছি। এ দায়িত্বটা আসার। তো, এবার বল কেমন আছিস? স্বামী ভদ্রলোকটি কেমন আছেন? ছেলেমেয়েরা কী পড়ছে?
খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব জানতে চায় হামিদা। নিজের কথাও বলে।
– একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আছে। ছোট একটা ফ্ল্যাট কিনেছে গুলশানে। ছোট দু’টি ভাই আর বোনটিকে পড়ালেখা শেষ করিয়ে বিয়ে দিয়েছে। ওরা যার যার মত আলাদা সংসার করছে। মা-বাবা ওর কাছেই থাকেন।
– আর তুই?
– আর আমি? আমি কী? আমি স্বাধীন! আজ এখানে, কাল ওখানে, দেশ-বিদেশে ব্যবসার কাজে ঘুরে বেড়াচ্ছি। নির্ঝঞ্ঝাট, দায়িত্ব, কর্তব্য শেষ আর কোন চিন্তা নেই!
খিলখিল করে হাসে হামিদা। আজকের এই সপ্রতিভ, অস্থিরচিত্ত, হাল ফ্যাশনের পোশাক পরিহিতা হামিদার মধ্যে সেই সাদাসিধে, শান্তশিষ্ট, কিছুটা গোবেচারা হামিদাকে খুঁজে পেতে কষ্ট হয় ইয়াসমিনের।
– তা, তুই কি কিছু করছিস? হাঁ, একেবারেই নির্ভেজাল হাউস ওয়াইফ?
– নারে। পড়াশুনা তো শেষ করেছিলাম। কিন্তু কিছু আর করা হয়ে ওঠেনি। ছেলেটা ইন্টারমেডিয়েট, আর মেয়েটা বিবিএ পড়ছে। এই আর কি।
– আর তোর হাজবেন্ড? ভদ্রলোক কিন্তু বেশ! সেই তোর বিয়ের সময় দেখেছিলাম। বেশ নায়ক নায়ক ভাব! এখনও তেমনি আছেন, না কি? তোর বিয়েতে কী মজাই না সবাই মিলে করেছিলাম।
কথায় কথায় গড়িয়ে যায় বেশ কিছুটা সময়। ঘড়িতে সময় দেখে চমকে ওঠে হামিদা।
– না রে, এবার উঠতে হয়। একটা বেজে গেছে। দু’টোর সময় আবার একটা মিটিং অ্যাটেন্ড করতে হবে। আমার কার্ডটা রাখ। ওতে বাসার ঠিকানাও আছে। একদিন আয়।
ইয়াসমিনের ফোন নম্বর আর ঠিকানাও লিখে নেয় হামিদা ওর ছোট্ট নোট বইতে। উষ্ণ আলিঙ্গনের মধ্য দিয়ে একে অপরের কাছ থেকে বিদায় নেয় ওরা।
সারাদিনের কর্মব্যস্ততার মধ্যে মাঝে মাঝেই ইয়াসমিনের কথা মনে হয়েছে হামিদার। ওর সুখি সুখি চেহারাটা কি হামিদার মনে কিছুটা হলেও ঈর্ষা ধরিয়ে দেয়নি! সামান্য মুটিয়ে যাওয়া আজকের ইয়াসমিনকে কি জীবনে সার্থক বলে মনে হয়নি! স্বামী গরবে গরবিনী ইয়াসমিন যেন আহ্লাদিত, আরাম প্রিয় এক সুখী গৃহিণী! ওর সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়ার সঙ্গী আছে। আছে একটা নিরাপদ শান্তির আশ্রয়। স্বামী, সন্তানের ভালবাসায় ঘেরা এক স্বপ্নের রাজত্বে বসবাস ইয়াসমিনের।
নিজেকে আজ বড় অসহায় মনে হয় হামিদার। ওর একাকীত্বের বেদনা যেন আজ বড় প্রকট হয়ে ওঠে। দায়িত্ব আর কর্তব্যের বোঝাটাও যেন বড় ভারী বলে মনে হয়। অথচ ও তো ইয়াসমিনের মত এক সুখি গৃহিণী হতে পারত, যদি না বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়তেন, আর সংসারের সম্পূর্ণ বোঝাটা ওর ঘাড়ে এসে পড়ত! তাই তো ফাইনাল পরীক্ষা দেবার আগেই চাকরিতে জয়েন করতে হল। ছোট ছোট ভাইবোনদের লেখাপড়া, বাবার চিকিৎসা, সংসার খরচ- সবই একা হাতে চালাতে হয়েছে হামিদাকে। জীবনে চলার পথে ওকে জীবনসঙ্গী করার আকাঙ্খায় যে কেউ এগিয়ে আসেনি তা নয়। তবে ওর দায়িত্ব আর কর্তব্যের বোঝাটা দেখে সবাই পিছিয়ে গেছে। জীবন যুদ্ধে ওর সঙ্গী হবার মত সাহসী পুরুষের দেখা ও পায়নি। আনন্দের সামিল হতে চেয়েছে অনেকেই, কিন্তু দুঃখের ভাগ নিতে চায়নি কেউই। অনেক ঝড়ঝঞ্ঝা পেরিয়ে আজ যে ও সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে, এটাই অনেক। ফেলে আসা পিছনের দুঃখের দিনগুলোর কথা মনে করতে চায় না ও। তবে ইয়াসমিনের সঙ্গে দেখা হয়ে আজ যেন সব কেমন ওলটপালট হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতে বসে কত কথাই না মনে পড়ে ওর। বাড়ি ফিরতে প্রতিদিনই বেশ রাত হয়ে যায়। মা-বাবাকে বলা আছে সময়মত খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়তে। শুয়ে পড়লেও হামিদা না ফেরা পর্যন্ত ঘুমাতে পারেন না ওরা। আর হামিদা সেটা জানে। বাড়ি ফিরেই তাই মা-বাবার ঘরে গিয়ে ওদের নিশ্চিন্ত করে। কাজের মেয়েটাও খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। টেবিলে ঢেকে রাখা খাবারগুলো মাইক্রোওয়েভে গরম করে খেতে বসে ও। খাওয়ার কোন তাগিদ যেন অনুভব করে না আজ। সামান্য কিছু মুখে দিয়ে বাড়তি খাবারগুলো ফ্রিজে উঠিয়ে রাখে। ক্লান্ত দেহটি টেনে নিয়ে বিছানায় যায়। সেই মুহূর্তেই আবার মনে পড়ে ইয়াসমিনের কথা। কী করছে এখন ও? হয়তো এতক্ষণে এক ঘুম হয়ে গেছে। কী নিশ্চিন্ত, গভীর, আরামের ঘুম। না, আজ মনে হচ্ছে ঘুমের সমস্যা হবে হামিদার। বিছানার পাশের টেবিল থেকে দু’টো ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়ে হামিদা।
দেয়াল ঘড়িতে ঢং ঢং করে রাত বারটা বাজল। না, এখনো ফেরেনি সাদাত। ব্যালকনির চেয়ারটায় বসে থাকে ইয়াসমিন। এখন থেকে রাস্তার গাড়ি চলাচল দেখা যায়। একটা গাড়ি গেটে এসে দাঁড়াতেই সচকিত হয়ে তাকায় ও। না, সাদাত না, অন্য কেউ। গার্ড গেট খোলে, আবার বন্ধও করে দেয়। আজকাল প্রায়ই বেশ রাত করে ফিরছে সাদাত। কারণ কখনো জিজ্ঞাসা করে না ইয়াসমিন। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনেও এ অধিকারটুকু ও পায়নি। আসলে পাবার চেষ্টাও করেনি। জীবনের একেবারে শুরুর দিন থেকেই এমনটা হয়ে এসেছে।
– আমার মা-বাবা তোমাকে পছন্দ করে এ বাড়িতে এনেছেন, ওদের মন যুগিয়ে চললেই হবে। আমার কথা তোমাকে ভাবতে হবে না।
বাসর ঘরে ইয়াসমিনের উদ্দেশ্যে এই ছিল সাদাতের প্রথম কথা! আশ্চর্য হয়ে শুধু তাকিয়ে থাকা ছাড়া ইয়াসমিনের আর করার কিছুই ছিল না। কারণটা সাদাত নিজেই বলেছিল।
– আমি যাকে পছন্দ করতাম, আমার মা-বাবা তাকে বিয়ে করতে দেননি।
সাদাতের জীবনে ইয়াসমিনের স্থান তখনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। যাও নিজের স্বপ্নগুলি ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল, তবুও কি যেন এক অজানা কারণে সাদাতের ওপর ওর রাগ বা অভিমান কোনটিই হয়নি। বরঞ্চ ওর প্রতি একটা অদ্ভুত সহানুভূতি অনুভব করছিল। কেমন যেন বেচারা বেচারা আর খুব ভাল মানুষ বলে মনে হয়েছিল ওকে! সম্পূর্ণ ব্যাপারটাকে ইয়াসমিনের নিজের দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কিছুই ভাবেনি। ইয়াসমিনের প্রতি কখনোই কোন রকম দুর্ব্যবহার করেনি সাদাত। একটা দূরত্ব রেখে চললেও ইয়াসমিনের প্রতি সমস্ত দায়িত্ব-কর্তব্যগুলো যথাযথ পালন করে গেছে। তবে শাশুড়ি, ননদের কাছে খুব তাড়াতাড়ি বিশেষ প্রিয়পাত্রী হয়ে উঠেছিল ইয়াসমিন। ওদের কথাতেই তা বোঝা যায়।
– দেখেছো মা, তোমার ছেলের মুখে এখন আর কথা নেই। কী না করেছে এই বিয়ে নিয়ে!
– হবে না কেন? বৌমা আমার যেমন শান্তুশিষ্ট আর ভদ্র, তেমনি লক্ষ্মী।
– সত্যি বড়ই নম্র আর ভদ্র মেয়েটা। হতো যদি নিজের পছন্দের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে, তো বুঝতো মজাটা! ও মেয়ে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাত তোমার ছেলেকে!
ওদের কথাতেই এক সময় জানতে পারে সাদাতের পছন্দের মেয়েটি ওরই সমবয়সী এক আত্মীয়া। একে আত্মীয়া, তার ওপর আবার সমবয়সী, গুরুজনদের আপত্তি সে কারণেই। পরবর্তীতে ওদের সম্পর্কটা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলেও দু’জনের মাঝখানে সর্বদাই কারো একটা উপস্থিতি অনুভব করেছে ইয়াসমিন। চরম ভালবাসার মুহূর্তগুলোতেও সে দেয়ালটা সরে যায়নি। না, ওর কষ্টটা কখনো কাউকে বুঝতে দেয়নি ইয়াসমিন। হাসিখুশি ইয়াসমিন আর সাদাত তাই সবার চোখে সুখি দম্পতি। আত্মীয়াটি যেহেতু বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে সুদূর আমেরিকাবাসী হয়েছিল, তাই বোধ হয় এটা সম্ভব হয়েছিল। সম্প্রতি ওর স্বামীটি সেখানেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বর্তমানে তাই ও দেশে ফিরেছে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই আবার ফিরে যাবে। ওর দু’ছেলে ওখানেই লেখাপড়া করছে, তাই। মুখে কিছু না বললেও সাদাতের অস্থিরতা ও ঠিকই অনুভব করে। শুধু না বোঝার ভান করে থাকে ইয়াসমিন। আজ হামিদার সঙ্গে দেখা হবার পর থেকে যেন আবার নতুন করে সব ভাবতে বসে ও। চাওয়া পাওয়ার হিসাব যেন কিছুতেই মেলাতে পারে না। বিয়ে হয়ে স্বামীর সংসার করছেÑ এই কি একটি মেয়ের জন্য সব শেষ কথা? সবচেয়ে বড় সাথর্কতা! হামিদা তো বিয়ে করেনি। ও কি ভাল নেই? ও কি জীবনে সার্থকতা পায়নি? নিজের যোগ্যতা দিয়ে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে। মান সম্মানের কোন কমতি নেই। নিজের পরিচয়েই সুপরিচিতা। ভবিষ্যত ? ইয়াসমিনেরই বা ভবিষ্যত কী? ছেলে-মেয়ে? সত্যিই কি ওরা মা-বাবার কথা ভাবে কখনো? মনে হয় না! বড়ই আত্মকেন্দ্রিক ওরা। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পেয়ে অভ্যস্ত। অভাব কাকে বলে জানে না। সর্বদাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। ছোটবেলা যতটা কাছে ছিল, এখন আর তা নেই। যতই বড় হচ্ছে, ততই যেন দূরে সরে যাচ্ছে! ওদের জীবনে যেন মায়ের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে! দিনে দিনে তাই ইয়াসমিনের একাকীত্বও বেড়ে যাচ্ছে। এত মানুষের ভিড়েও ও যেন বড় একা! অথচ হামিদা কত প্রাণোচ্ছল। চেনাজানা পরিচিতের জগত ওর কত বিস্তৃত। কর্মব্যস্ত জীবন কাটায়। কোন একঘেঁয়েমি নেই। কর্মহীন, অলস জীবন যে কী যন্ত্রণাদায়ক, ইয়াসমিন তা পদে পদে অনুভব করে! কষ্টের স্মৃতিগুলো যেন সারাক্ষণই ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে হৃদয়। কাজ নিয়ে ভুলে থাকার সুযোগ যে একেবারেই নেই ওর। কী হত হামিদার মত বিয়ে না করে একা একা জীবন কাটিয়ে দিলে? হামিদার তুলনায় ওর যোগ্যতা তো কোন অংশে কম ছিল না। বরং প্রতিটি পরীক্ষাতেই ও হামিদার চাইতে অনেক ভাল রেজাল্ট করেছে। হঠাৎ চোখে আলো এসে পড়ে। সেই সঙ্গে পরিচিত গাড়ির হর্নের শব্দে সম্বিত ফিরে পায় ইয়াসমিন। সাদাত ফিরল। কী জানি ক’টা বাজে এখন। মাথাটা ঝিমঝিম করছে ইয়াসমিনের। হয়তো প্রেসার বেড়েছে। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতেও যেন ইচ্ছে করছে না। ডোরবেল বাজার অপেক্ষায় উৎকর্ণ হয়ে থাকে ও।
শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here