সমকালীন: বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন এলিজাবেথ

5

ঠিকানা রিপোর্ট: কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন কাউন্সিলওম্যান এলিজাবেথ ক্রাউলি। এলিজাবেথ ক্রাউলি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি হচ্ছে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নামকরা সিটি আর কুইন্স বরো হচ্ছে আমেরিকার মধ্যে বৈচিত্র্যময় বরো। এই বরোতে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের ভাষার মানুষের বসবাস। এই বরোতে ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটি হচ্ছে আমাদের শক্তি। নিউইয়র্কের যে কোন নির্বাচনে এখন বাংলাদেশীরা গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে দক্ষিণ এশিয়ান কম্যুনিটি। তারা গত কয়েকটি নির্বাচনে তা প্রমাণ করেছে। যার জলন্ত প্রমাণ হচ্ছে জন ল্যু।
গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের তিতাস পার্টি হলে বাংলাদেশী কম্যুনিটি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এলিজাবেথ ক্রাউলি এ সব কথা বলেন।
ইভার সভাপতি এবং মূলধারার রাজনীতিবিদ দীলিপ নাথের সভাপতিত্বে এবং কম্যুনিটি এক্টিভিস্ট শুভ রায়ের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন অধ্যাপক নবেন্দু বিকাশ দত্ত, কম্যুনিটি লিডার সরাফ সরকার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, জেবিবিএ’র সভাপতি আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, উপদেষ্টা মোহাম্মদ পীর, ফোবানার সদস্য সচিব জাকারিয়া চৌধুরী, কম্যুনিটি এক্টিভিস্ট সবুল দেব নাথ, শাখাওয়াত বিশ্বাস, ভজন সরকার, দীপক রায়, গভর্ণর এন্ড্রু কুমোর প্রতিনিধি জেনিফার, পিষুষ প্যাটেল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোহেল রানা, মোহন গোয়েল, মোহাম্মদ তুহীন। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির সদস্য সাদী মিন্টু, আবুল কাশেম চৌধুরী, ড. ধনঞ্জয় সাহা, কবীর হোসেন, নূরুল আমিন বাবু প্রমুখ।
এলিজাবেথ ক্রাউলি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি হচ্ছে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নামকরা সিটি আর কুইন্স বরো হচ্ছে আমেরিকার মধ্যে বৈচিত্র্যময় বরো। এই বরোতে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের ভাষার মানুষের বসবাস। এই বরোতে ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটি হচ্ছে আমাদের শক্তি। নিউইয়র্কের যে কোন নির্বাচনে এখন বাংলাদেশীরা গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে দক্ষিণ এশিয়ান কম্যুনিটি। তারা গত কয়েকটি নির্বাচনে তা প্রমাণ করেছে। যার জলন্ত প্রমাণ হচ্ছে জন ল্যুসহ আরো কয়েকজন। তিনি বলেন, আমি ৯ বছর কাউন্সিলম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। মানুষের পাশে থেকেছি। আমি জানি সাধারণ মানুষের অবস্থা কী। তিনি বলেন, এই বরোতে ইমিগ্র্যান্টরা হলো আসল শক্তি। তাদের সমস্যা সম্পর্কে আমি জানি। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটির স্বার্থে কাজ করবো। তিনি বলেন, আমি জানি আমাদের স্কুলগুলোতে আসনের সমস্যা রয়েছে, যাতায়তে সমস্যা রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে স্কুলগুলোতে আসর সংখ্যা বৃদ্ধি করবো, ট্রেন এবং স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি করবো। এ ছাড়াও স্বার্থ সেবা নিয়ে কাজ করবো, বেকার সমস্যার সমাধান করবো, এফর্ডেবল হাউজিং নিয়ে কাজ করবো। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় আত্মনিয়োগ করবো। কারণ তারাই আমাদের মূল শক্তি। তিনি বলেন, আমি আপনাদের ভোট এবং সমর্থন চাই।
অন্যান্য বক্তারা এলিজাবেথ ক্রাউলির পক্ষে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন। সভাপতি দীলিপ নাথ ইমিগ্র্যান্ট কম্যুনিটির সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here