দাঁতের যত্নে যা করবেন

3

সুস্থ-সবল ও সুন্দর দাঁতের জন্য অবশ্যই দাঁতের যত্ন নিতে হবে। এখানে আপনার দাঁতের যতেœর কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো। দাঁত ব্রাশপ্রতি রাতে ঘুমানোর আগে ও সকালে নাশতা খাওয়ার পর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করবেন। রাতে ঘুমানার আগে দাঁত ব্রাশ না করলে কোনোক্রমেই আপনার দাঁত ভালো থাকবে না।
যেমন ব্রাশ ব্যবহার করবেন
সব সময় নরম ফাইবার যুক্ত টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করবেন। শক্ত ফাইবারযুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁতের মাড়ির ক্ষতি হতে পারে। মনে রাখবেন, কোনোভাবেই একটি টুথব্রাশ ছয় মাসের বেশি ব্যবহার করবেন না। আর্থিক সমস্যা না থাকলে তিন মাস পরপর ব্রাশ পরিবর্তন করা ভালো।
যতক্ষণ ব্রাশ করবেন
দাঁত পরিস্কার করা ও মাড়ি সুস্থ রাখাই দাঁত ব্রাশ করার প্রধান উদ্দেশ্য। ওপরের দাঁত ওপর থেকে নিচে এবং নিচের দাঁত নিচ থেকে ওপরের দিকে ব্রাশ করবেন। মোটামুটি দুই থেকে তিন মিনিট কার্যকর দাঁত ব্রাশ দাঁতের যতে যথেষ্ট। অনেককে দেখা যায়, বেশি সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করে থাকেন, যা কোনোভাবেই ঠিক নয়।
যে টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন
সব সময় ভালো টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করবেন। তবে কোনো টুথপেস্টেই দাঁতের জন্য দরকারি সব উপাদান দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় দুই মাস পরপর টুথপেস্টের ব্র্যান্ড পরিবর্তন করলে। যে টুথপেস্টগুলো আপনার ভালো লাগবে সেগুলোই ব্যবহার করুন।
দাঁত শিরশির করলে সেনসেডাইন নামক টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। যদিও ফ্লোরাইড দাঁতের জন্য উপকারী, তবুও আপনার পান করা পানিতে যদি জানামতে ফ্লোরাইডের পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। দাঁত ব্রাশ করার সময় যদি বমি বমি ভাব হয় তাহলে জেল জাতীয় টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই উত্তম।
ডেন্টাল ফ্লসিং
ফ্লসিংয়ের মাধ্যমে সূক্ষœ খাদ্যকণা যা ইন্টারডেন্টাল স্পেসে জমে থাকে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। যাদের দাঁত আঁকাবাঁকা তাদের ক্ষেত্রে ফ্লসিং করা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত দুধরনের ডেন্টাল ফ্লস দেখতে পাওয়া যায়। ওয়াক্সড এবং আনওয়াক্সড।
যার যেটা পছন্দ সেটাই ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে নিয়মের মধ্য দিয়ে চললে আপনার দাঁতের সমস্যা অনেক কমে যাবে। পরিপূর্ণতা আনার জন্য বছরে অন্তত একবার ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here