স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রীরা

5


নিজস্ব প্রতিনিধি : আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও মহাজোটের সাবেক মন্ত্রীদের নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়া সাবেক মন্ত্রীদের মনঃকষ্ট, দুঃখবোধ কিছুটা হলেও দূরীভূত করার প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রীর পদমর্যাদায় সংসদের উপনেতা, প্রধানমন্ত্রীর সংসদ উপদেষ্টা, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, চিফ হুইপ পদে নিয়োগ দেওয়া এবং শরিক কয়েকটি দলের কয়েকজন তরুণ, বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকাদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সিনিয়র মন্ত্রীদের ঢালাওভাবে বাদ দেওয়ার ঘটনা অভাবিত ছিল তাদের কাছে। দৃশ্যমানভাবে তারা হতাশ, অসন্তোষ প্রকাশ না করলেও সরকারের শীর্ষ মহল তাদের বেদনা, মানসিক যন্ত্রণার কথা বিবেচনায় রেখেছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে জানা যায়, সংসদের উপনেতা ও প্রধানমন্ত্রীর সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে তোফায়েল আহমদ বা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাম বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আমির হোসেন আমু, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, শাজাহান খান, মির্জা আজম, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মুজিবুল হকসহ অধিকাংশ সাবেক মন্ত্রীদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর। তা মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উন্নীত করারও চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা যায়। সংসদীয় কমিটি শক্তিশালী করার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নতুন মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়সমূহ অনেক বেশি দক্ষ, গতিশীল করার চিন্তা থেকেই সাবেক মন্ত্রীদের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হবে। সাবেক মন্ত্রীরা যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সেই মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হবে। সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দশম সংসদের হুইপ লিটন চৌধুরী। মন্ত্রী করার ব্যাপারে গভীরভাবে আশাবাদী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তাই একমাত্র বাধা হয়ে আসে। একই কারণে শেখ সেলিমকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়নি। লিটন চৌধুরীকে নতুন সংসদের চিফ হুইপ করা হয়েছে। নতুন কয়েকজনকে হুইপের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here