চুক্তিতে ১৭ ক্রিকেটার

ফিরলেন ইমরুল, বাদ পড়লেন শান্ত

7

স্পোর্টস রিপোর্ট : ২০১৯ সালের নতুন বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিতে এসেছেন ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস। আগের বছরের ‘রুকি’ থেকে এবার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উত্তরণ হয়েছে ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাসের। রুকি ক্যাটাগরিতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত বাদ পড়েছেন এবার। আগের বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এ রুকিতে আছেন পেসার আবু হায়দার রনি, তার সঙ্গে এসেছেন নতুন আরো চারজন। গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বোর্ড সভা শেষে ২০১৯ সালের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ১৭ ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন ১০ জন। রুকি ক্যাটাগরিতে ছিলেন দুজন। এবার এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭ জনে। জালাল ইউনুস বলেন, ‘‘আগের মতোই এবারো ‘এ+’ ক্যাটাগরিতে আছেন পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকছেন মুমিনুল হক সৌরভ, টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস, স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম। আর রুকি ক্যাটাগরিতে নতুন করে নেয়া হয়েছে পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, অফ স্পিনার নাঈম হাসান আর তিন পেসার আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ রাহি ও সৈয়দ খালেদ আহমেদকে।’’

এ দিকে এক বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ‘এ+’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা বিসিবি থেকে মাসিক পারিশ্রমিক পাবেন আগের মতোই মাসে ৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া ‘এ’ ক্যাটাগরি ৩ লাখ, ‘বি’ ক্যাটাগরি ২ লাখ ও রুকি ক্যাটাগরির বেতন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

যারা জাতীয় দলের জার্সি গায়ে টেস্ট ম্যাচ খেলবেন, তারা ম্যাচ ফি পাবেন ২ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার মধ্যে। ওয়ানডের ম্যাচ ফি ১ থেকে ২ লাখ টাকা ও টি-২০-এর ম্যাচ ফি ৭৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার মতো। ২০১৭ সালে সর্বশেষ কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি হয়েছিল। গত বছর বাড়ানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাড়েনি। এ বছর ভাতা গ্রেড ভিত্তিতে বাড়বে কি না, তা পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি বিসিবি।

এ ছাড়া ব্রিফিংয়ের শুরুতে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বিসিবির নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকার পূর্বাচলে ৩৭৪৯ একর জায়গার ওপর শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য বিশেষজ্ঞ দুটি দল গঠনের কাজ করব। এ স্টেডিয়ামটি নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের কাজ করব শিগগিরই। বিশেষজ্ঞ কমিটি জায়গার ওপর গবেষণা শেষ করে যে প্রতিবেদন দেবে সেটির ওপর ভিত্তি করে বিসিবি নির্মাণ বাজেট পেশ করবে। আমরা চাচ্ছি, এ স্টেডিয়ামটি যেন এশিয়ার অন্যতম সেরা হয়। এখানে পাঁচ তারকা হোটেলসহ ক্রিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। তবে বিসিবি অর্থায়নে হোটেল নির্মিত হবে না। এটি কাউকে লিজ দিতে পারি। তারা হয়তো এটি করার সুযোগ পাবে। আর আমরা সরকারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকায় নামমাত্র মূল্যে জমি পেয়েছি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here