ডাইটিশিয়ান কনডেলের আত্মহত্যা

9

ঠিকানা রিপোর্ট: আত্মহত্যার বিষাদময় পরিণতি সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং ধৈর্যের অভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যম বয়সী পুরুষ এবং নারীর আত্মহত্যার প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সামান্য কারণেই অনেক পুরুষ এবং মহিলা আত্মহত্যার মাধ্যমে ভবযন্ত্রণার অবসানের পথ খুঁজে পেতে চায়।
এ ধরনের আত্মহত্যার পন্থা বেছে নিয়েছেন ম্যানহাটনের ডাউটিশিয়ান টারা কন্ডেল। অবশ্য ওয়েস্ট ১০ স্ট্রীটের এপার্টমেন্টের ক্লোজেট দরজায় ফাঁসিতে আত্মহত্যার আগে অন্য কাউকে যেন তার হত্যার জন্য দায়ি করা না হয় তজ্জন্য ২৭ বছর বয়স্কা কন্ডেল ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে একটি সুইসাইড নোট রেখে গেছেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা ৩ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের বর্ণনানুসারে: আই হেইট দ্য ওয়ার্ড বাই, বাট সী ইউ লেটার মেবি- শিরোনামে কন্ডেল নোটটি নিজস্ব সাইটে রেখে লিখিতভাবে রেখে গেছেন। কন্ডেল আরও লিখেন যে বিরক্তিবোধের সহজসরল পুরাতন তার জীবনকে হতাশ করে তুলেছিল। তিনি আরও বলেন, একদশকেরও বেশি সময় ধরে বিরক্তিবোধ থেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়ার কথা তার মনে উদয় হয়েছিল। চূড়ান্ত পর্যায়ে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে এবং ফাঁসিতে ঝুলার আগেই নিজ বক্তব্য লিপিবদ্ধ করে গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী টপ ব্যালেন্স নিউট্রিশন নামক কোম্পানীতে কন্ডেল চাকরি করত এবং কোম্পানীর নিউ ইয়র্ক ও মায়ামিতে দুটি অফিস রয়েছে। টপ ব্যালেন্সের পক্ষ থেকে এক বার্তায় বলা হয় যে টারা ছিলেন একজন প্রতিভাসম্পন্ন ডাইটিশিয়ান এবং তার সকল রোগী ও সহযোগীগণ তাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তার চারপাশের সকলের প্রতি তিনি অত্যন্ত বন্ধুসুলভ ছিলেন এবং সকলের প্রতি সর্বদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন। তার এই অনাকাঙ্খিত আত্মহত্যার জন্য সকলে গভীর হতাশা ব্যক্ত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here