বন্ধুকে মেরে রক্ত পান

1

ঠিকানা ডেস্ক : নিজেকে ‘ভ্যাম্পায়ার’ মনে করতেন বরিস কোন্দ্রাশিন। এমন ধারণা থেকে স্কুলে পড়া অবস্থায় এক সহপাঠীকে খুন করে তার রক্ত পান করেন। এ ঘটনার পর তাকে মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। এক দশক পর সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি এবার শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুয়া কাগজ দেখিয়ে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার দায়ে ধরা পড়েছেন। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।
রাশিয়ার চেলিয়াবেনিক্সের ঘটনা এটি। ১৯৯৮ সালে বরিস হত্যা করেন তার স্কুলের ১৬ বছর বয়সী সহপাঠীকে। তার পর একটি ধর্মীয় প্রথা মেনে তার রক্ত পান করেন। ২০০০ সালের আগস্টে জানা যায়, বরিস ‘হোমিসাইডাল স্কিজোফ্রেনিয়া’ নামে এক মানসিক রোগে ভুগছেন। তার এ কা-কে ‘বিশেষ গুরুতর অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তাকে বাধ্যতামূলক মানসিক চিকিৎসা করানোর নির্দেশ দেন আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী বরিসকে একটি মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। ১০ বছর সেখানে থাকার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here