নিউইয়র্ক স্টেটে ধর্মীয় পোশাক পরে কাজ করার বিল

142

ঠিকানা রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলার পরবর্তী সময়ে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় কর্মস্থলে ধর্মপ্রাণ মুসলিম, শিখ, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নানাবিধ অত্যাচার নেমে আসে। অনেক সময় তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এমনকি অনেককে জীবন পর্যন্ত দিতে হয়েছে। সেই বৈষম্য নিরসনে এবং সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এলাকা থেকে নির্বাচিত স্টেট এ্যাসেম্বলীম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন আনীত “ধর্মীয় পোশাক” বিল এ-৪২০৪, বিগত ছয় বছরের ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, বুধবার স্টেট এ্যাসেম্বলীতে পাশ হয় এবং তা সিনেটে উত্থাপনের পথে।

নিউইয়র্ক : কাজের জায়গায় ধর্মীয় পোশাক বিল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন।

গত ২৭ এপ্রিল বুধবার স্টেট এ্যাসেম্বলীর প্রেস কনফারন্সে উপস্থিত বিলের কো-স্পন্সর ব্রুকলিন জুইশ অধ্যুষিত এলাকার নির্বাচিত এ্যাসেম্বলিম্যান সিমচা আইচেনস্টাইন, ব্রঙ্কস এলাকার এ্যাসেম্বলীওম্যান নাথালিয়া ফার্নান্ডেজসহ অন্যান্য নির্বাচিত প্রতিনিধি এই বিলের প্রয়োজনীয়তা এবং সকল ধর্মের সহাবস্থানসহ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সংরক্ষিত সকল ধর্ম, বর্ণ গোত্রের অধিকার প্রতিফলিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

ডেডিড ওয়েপ্রিন বলেন, কর্মক্ষেত্রে ধর্মীয় পোশাকের কারণে হেনস্তার শিকার একেবারেই কাম্য নয়। নাথালিয়া বলেন, এই বিলের কারণে আর কাউকেই হয়রানির শিকার হতে হবে না। বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রিয় প্রতিনিধি জন লু বলেন, আমি এই বিলের প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন প্রকাশ করছি এবং আশা করি সিনেটেও এই বিল পাশ করাতে সক্ষম হব। সকল ধর্ম, বর্ণ গোত্র সহ হিন্দু, মুসলিম, জুইশ, খৃস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রেস কনফারেন্সে নাভা সভাপতি ড. দিলীপ নাথ, নির্বাহী সদস্য রোকেয়া আক্তারের নেতৃত্বে দিওয়ালি কোয়ালিশনের কস্তুরী মিলার, রজলীন কস্টা, অনুপ জয়রাম, মোহন গোয়ালা, দীপক কর্মকার, ধ্রুব চক্রবর্তী, ভজন সরকার, রমা সরকার, শ্যামল কর, প্রণব চৌধুরী, ঝর্ণা চৌধুরী, রীতম চক্রবর্তী, রায়ান সরকার এবং সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউ.এস এর আহবায়ক শুভ রায় অংশগ্রহণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here