খাদ্যে সিসার বিষক্রিয়া

34

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: মানবদেহ অত্যন্ত রহস্যময় এক কারখানা। এই দেহঘড়ি জটিল একটি রাসায়নিক সমিকরণের মাধ্যমে চলে। আর এই চলার পথে নানান কারণে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের প্রয়োজন হয়। জীবন চলার পথে মানুষের শরীরে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের এক্সপোজার হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শরীর জানে কীভাবে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কিন্তু কখনো নিজের অজান্তেই বিভিন্ন ধাতব পদার্থ শরীরের ক্ষতি করে থাকে। ‘সিসা’ বা ‘লেড’ এমনই একটি পদার্থ যা মানুষের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই ক্ষতি মারাত্মক। কখনো এই ক্ষতি সাময়িক। কিন্তু অনেকসময় এই পদার্থটি স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। এই ধাতব পদার্থের উপস্থিতি নেই এমন জায়গা খুবই কমই রয়েছে। যদিও এটি চোখে দেখা যায় না। নিজের অজান্তেই মানুষ এই সিসা খাবারের মাধ্যমে শরীরে নিয়ে নেয়। অনেক সময়ই আমরা বিষয়টি খেয়ালই করি না। অথচ নানান কায়দায় শরীরে ঢুকে পড়ছে এক ঘাতক বিষ।

বিজ্ঞান বলে, স্বাভাবিকভাবে শিশুদের শরীরে সিসার পরিমাণ পাঁচ মাইক্রোগ্রামের নিচে থাকার কথা। পরিণত বয়সে রক্তে এর উপস্থিতি হওয়া উচিত দশ মাইক্রোগ্রামের নিচে। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই এই মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ এই সিসার মাত্রা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। একটু সচেতন হলেই আমরা তা প্রতিরোধ করতে পারি। পরিসংখ্যান বলছে, কেবল ২০১৬ সালে পৃথিবী জুড়ে এই সিসার কারণে পাঁচ লক্ষ চলি­শ হাজার মানুষের মৃত্য হয়েছে। আমাদের দেশে সরকারিভাবে এই সিসার ক্ষতির বিষয়ে কোন পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। ফলে সচেতনার অভাবে আরও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। চিকিৎসায় হয়তো রক্তে এই ধাতবের পরিমাণ কমে, কিন্তু ব্রেন বা কোষে যে ক্ষতি হয়ে যায় তা আর ফিরে আসে না। আর সেজন্যেই এটির প্রতিরোধ খুব জরুরি।

সিসার উপস্থিতি কীভাবে ভাগ করা হয়:
রক্তে সিসার উপস্থিতি বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। লক্ষণভেদে একটি হচ্ছে সাবক্লিনিক্যাল অর্থাৎ লক্ষণ নেই। আর একটি হচ্ছে ক্লিনিক্যাল অর্থাৎ লক্ষণ রয়েছে। আবার সময় ভেদে যদি ভাগ করা হয় তাহলে দেখা যায়, এই বিষক্রিয়া একিউট অর্থাৎ স¤প্রতি হয়েছে। আর ক্রনিক হয়েছে বছরের পর বছর এক্সপোজ হওয়ার মধ্য দিয়ে।

সিসার লক্ষণ ও ক্ষতি:
রক্তে সিসার উপস্থিতির লক্ষণ মানুষে মানুষে ভিন্ন হয়। এটি নির্ভর করে কত দিন কত পরিমানে এক্সপোজ হয়েছে তার উপর। আবার বড়দের ক্ষেত্রে একরকম, শিশুদের জন্যে অন্য। ধরা যাক, একিউট বা হঠাৎ করে শরীরে মাত্রাতিরিক্ত সিসা এক্সপোজ হয়েছে, সেক্ষেত্রে স্নায়ুতন্ত্রে এর ক্ষতি বেশি হয়। পেশীতে ব্যাথা ও দুর্বলতা দেখা দেয়, হাত পা ঝিম ঝিম করে, অবশ লাগে। পেটে ব্যথা হয়, বমি বমি ভাব লাগে, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, মুখের স্বাদ বদলে গিয়ে ধাতব টেস্ট, রক্ত শুণ্যতা, রক্ত ভেঙ্গে গিয়ে রক্তের পরিমাণ কমে যায়। আবার কিডনিতে নানা ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। প্রসাবের (??) পরিমাণ কমে যায়। আবার যদি লম্বা সময় ধরে শরীরে সিসা এক্সপোজ হয়, তাহলে বিভিন্ন অঙ্গে ক্ষতির কারণ হতে পারে। যেমন: স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতির কারণে মেমরি লস বা ভুলে যাওয়া রোগ হয়। আবার যদি লম্বা সময় ধরে এটি এক্সপোজ হয়, তাহলে এটি বিভিন্ন অঙ্গে নানান ক্ষতি করতে পারে। যেমন: স্নায়ুতে ক্ষতির কারণে মেমোরি লস বা ভুলে যাওয়া রোগ হতে পারে এক্ষেত্রেও। কাজে মনোযোগ দিতে হতে কষ্ট হয়। বিষণন্নতা, ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া, কথা জরিয়ে যাওয়া, হাইপারেক্টিভ অর্থাৎ বেশি একটিভ থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কোন কিছু শিখতে কষ্ট হয়। বাচ্চার জন্ম থেকে বেড়ে ওঠার পরে দেখা যায় ব্রেন ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে না। আই কিউ কমে যাচ্ছে, স্বল্প সময়ের মেমোরি অসুবিধা, ম্যাথ বা অংক কষতে সমস্যা, হাতের সুই-এর কাজ করতে সমস্যা হয়। শুইয়ের ভেতর দিয়ে সুতা ঢোকানো মতো কাজটি কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া সামাজিক সম্পৃক্ততা করবে। শিশু বাইরে কারো সঙ্গে মিশতে চাইবে না। পরীক্ষা ভীতি দেখা দেবে। পরীক্ষার ফলাফল হবে খারাপ। এগ্রেসিভ বিহেভিয়ার, বিষন্নতা এবং টেনশন দেখা দেবে।

রক্তে সিসার উপস্থিতির কারণে ত্বক সাদা হয়ে যাবে, একটা লেড শিউ দেখা যাবে ত্বকে। এক ধরণের নীল রঙের লাইন দেখা যাবে মাড়ির বর্ডারে। এই ধাতবে উপস্থিতি শিশুদের চুপচাপ করে দেয় অনেক সময়। তারা খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। চোখে ঝাপসা দেখা, সানি পড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। শিশুদের ক্ষেত্রে ক্ষুধা মন্দা, পেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব, ওজন হারানো, দুর্বলতা, শ্রবণ শক্তি কমে যাওয়াও দেখা দেয়। দাঁতে ক্ষয় হয়। কিডনির ক্ষেত্রে দেখা যায় নেপফ্রোপ্যাথি ডেভেলপ করে, কিডনির ক্ষতি হয়ে যায়। পেনকনিক সিনড্রম গাউট এটাক হয়। গর্ভাবস্থায় প্রিমেচুয়র বার্থ, লো বার্থওয়েট, বাচ্চা আগেই জন্ম নিয়ে নেয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। বড়দের ক্ষেত্রে ঘন ঘন হৃদরোগের প্রবণতাও বেড়েও যায়। রক্ত চাপ যায় বেড়ে। বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি। প্রজননের ক্ষেত্রে দেখা যায় শুক্রানুর সংখ্যা কমে আসে। ব্রিজের ক্ষমতা কমে আসে। ব্রিজের পরিমাণ ও মুভমেন্ট কমে যায়। নারীদের বন্ধাত্ম্য দেখা দিতে পারে। আবার মায়ের বুকের দুধ পান করার মধ্য দিয়ে এই সিসা শিশুর শরীরে চলে যেতে পারে। এই সিসা শরীরে এমন কোন অঙ্গ নেই যার ক্ষতি করে না।

কীভাবে শরীরে ঢুকছে এই সিসা:
মোটামুটি আমাদের আশেপাশে সব জায়গাতেই সিসার উপস্থিতি রয়েছে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল নানা উপকরণ আমাদের চারপাশে রয়েছে। যেমন: ব্যাটারি বা লেড শিষা যুক্ত পাইপ। ধাতব পদার্থ রিসাইকেল, অস্ত্র কারখানা, যেখানে গেসোলিন বা তেল বিক্রি হচ্ছে ঐসব এলাকায় সিসার উপস্থিতি রয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে দেখা যায়, রেডিয়েশন শিল্ড যেখানে থাকে, সার্জারি ইকুপমেন্ট, প্লাম্বিং সার্কিট বোর্ড, সিরামিক গ্লেইজ, সিসা ক্ষনিতে কাজ করে যারা, প্লাস্টিক কারখানায় যারা কাজ করে, অটো মেকানিকস, গ্লাস ফ্যাক্টরির শ্রমিক, কনস্ট্রাকশনে যারা কাজ করে, ব্যাটারি কারখানা, ওয়েল্ডিং, রাবার ফ্যাক্টরি, প্রিন্টিং কারখানা থেকে এই সিসা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তা ছাড়া সলিড ওয়েস্ট পোড়ালে যে ধোঁয়া হয় সেখান থেকেও সিসা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে।

এ ছাড়া খাবারে মিশে থাকা সিসা যেতে পারে শরীরে। খালি পায়ে হাঁটলে কারো শরীরে ভেতরে নিরবে ঢুকে পড়তে পারে এই ঘাতক। যেসব এলাকায় নানা ধরণের কারখানা রয়েছে, ঐসব এলাকায় উৎপাদিত পণ্যে সিসার মাত্রা বেশি থাকে। ঐসব এলাকার ধুলার মাধ্যমেও শরীরে সিসা ঢুকে যেতে পারে। শিশু যদি সেখানে হামাগুড়ি দেয় তাহলে ধুলার মাধ্যমে শিশুর রক্তে সিসা মিশে যেতে পারে। এমনকি রঙের কোন খোসা যদি পড়ে থাকে, সেটি মুখে দিলেও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। যেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। সেখানকার পানি থেকেও এটি আসতে পারে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় পানির পাইপের ময়লা পরিস্কার করার জন্য ক্লোরামাইন নামে এক ধরণের পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেটি কিন্তু ভেতরে ভেরতে ক্ষতি করে পাইপের লেদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আবার কাজল, সুরমা, সিঁদুর, খেলনা, জানালার প্লাইন্ড, আয়ুর্বেদিক, হারবাল, টুটকা চিকিৎসা, খাবারের প্লেটে যে গ্লেজ থাকে তার মধ্য দিয়েও সিসা ছড়ায়। বাতাসে সিসার পরিমাণ বেড়ে গেলে, এটি শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমেও শরীরে ঢুকে পড়ে। এমনকি মানুষের ত্বকের মাধ্যমেও ঢুকতে পারে। আপনারা অনেকেই জানেন, ভারতবর্ষে ম্যাগি নুডলসের ভেতরে সিসার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। এ নিয়ে অনেক হইচই হয়েছিল তখন। ফলে বুঝতেই পারছেন অনেক খাবারের ভেতরেই বাঁধা বেধে বসে আছে বিষাক্ত সিসা। কিন্তু প্রশ্ন থাকতে পারে আমেরিকায় সিসার ঝুঁকির কথা কেন বলা হচ্ছে? কেনইবা শিশুদের ক্ষেত্রে ক্ষতির মাত্রা বেশি। আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের খাদ্যাভ্যাসের কারণে তারাতো বটেই, পরিবারের ছোট্ট শিশুটিও ক্ষতির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা বিভিন্ন মসলা যেমন: হলুদ, মরিচ, ধনিয়া ইত্যাদির খাওয়ার মধ্য দিয়ে শরীরে সিসা ঢুকে পড়ছে।

কিভাবে সিসার উপস্থিতি সনাক্ত করবেন:
কারো রক্তে সিসা রয়েছে কিনা, তা হিস্ট্রিতে বোঝা যাবে। শারীরিক নানা পরীক্ষার মাধ্যমেও বের হয়ে আসবে। রক্ত পরীক্ষায় দেখা যায় বেসোফিলিক স্টিপ ব্লিঙ্ক। রক্তে ব্লাড লেবেল চেক করলেও হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক মাত্রা পাঁচের নীচে, বয়স্কদের ক্ষেত্রে দশের নিচে। লেড এক্সপোজ হওয়ার কাজ যাদের রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ত্রিরিশের নিচে। ত্রিশের উপর চলে গেলে আমরা এটিকে পয়জনিক বলি। হারের এক্স রে করা হলেও সিসার উপস্থিতি বোঝা যায়। আবার অনেক সময় পায়খানা পরীক্ষা করলেও পাওয়া যায়। তখন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে।

কীভাবে চিকিৎসা করাবেন:
আসল কথা হচ্ছে, উৎস থেকেই সিসার উপস্থিতি কমাতে হবে। যদি অনেক বেশি সিসা এক্সপোজার হয় অথবা এর লক্ষণগুলো দেখা যায়, তাহলে খুব দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে। যেমন ধরুন ক্যালসিয়াম কিংবা আয়রন জিংক ডেফিসিয়েন্সি থাকলে তার জন্যে চিকিৎসা করতে হয়। শরীরে যদি সিসার উপস্থিতি পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সরনাপন্ন হতে হবে। প্রয়োজনে ইমার্জেন্সিতে আসতে হবে। একটি এজেন্ট রয়েছে । চিল এইটিং এজেন্ট। সাধারণত পঁচিশ এর উপরে গেলে এটি দেয়া হয়। যেমন ইডিটিএ, বিএএল এটি কিডনি দিয়ে, ইউরিন দিয়ে এই সিসাকে বেধে বের করে নিয়ে আসে। চিকিৎসায় শুধুমাত্র রক্তে সিসা কমায়, কিন্তু ব্রেনে এটি কমাবে না।

প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ:
শিশুদের শরীরে সিসার উপস্থিতি যদি পাঁচের উপরে পাওয়া যায়, তাহলে সতর্ক হতে হবে। বিশেষ করে পার্সোনাল হাইজিন মেনটেন করা তখন খুব জরুরি। প্রতিবার কিছু ধরলে, খেলনা ধরলে, হাতে ধুয়ে ফেলতে হবে। ফ্লোরে বসলে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। খাদ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। লোকাল পাবলিক হেলথ অথরিটিতে রেফার করতে হবে। কিছু কিছু জিনিস সোর্স থেকে আসে, সেখান থেকে সিসার আগমণ বন্ধ করতে হবে। ক্যালসিয়াম, আয়রন সাপলিমেন্ট, পাসফিরমেন্টম, জিংক এগুলো খেয়েও ইউরিন দিয়ে সিসা বের হয়ে আসে। ঠাণ্ডা পানি খেতে হবে। গরম পানি পান ঠিক নয়। আর যদি গরম পানি পান করতে হয়, তাহলে ঠাণ্ডা পানি গরম করে খেতে হবে। কারণ পাইপ থেকে যে গরম পানি বের হয়, সেগুলো পাইপের ভেতরে জমে থাকা সিসাগুলোকে নিয়ে আসবে। সকাল বেলা প্রথম যখন পানিটি ছারবেন এক দের মিনিট ছেড়ে রাখতে হবে। ঠান্ডা পানিতে রাতের বেলা জমে থাকা সিসা চলে যায়। বাবামায়ের কাজের ক্ষেত্রে যদি এক্সপোজ হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন: কাজের কাপড় বদলে বাসায় আসতে হবে। প্রতিরোধ করাটাই বেশি জরুরি।

দুইভাবে সিসা প্রতিরোধ করা যায়। পারিবারিক ভাবেও করতে হবে এবং সামাজিক ভাবেও করতে হবে। পারিবারিক ভাবে যেভাবে করবেন। ঘরে যেন ধুলো না জমে । জানালার পাশে ধুলা জমতে দেয়া যাবে না। ঘরে খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। কোন কিছু ধরার পর হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। সমস্যা হলে ক্যালসিয়াম আয়রন খাওয়া যেতে পারে। মুখে বার বার হাত দেয়া যাবে না। ধুলামুক্ত রাখতে বাড়িয়ে নিয়মিত ভাকুম করুন। যে সমস্ত জায়গায় ঘরের লেড বা সিসা রয়েছে, যেমন উইন্ডো ব্লান্ড, জুয়েলারীরস এগুলো কম ব্যবহার করাই ভাল। ঘরের পানির কেমিস্টি চেক করুন। ঘরের ফ্লোর নিয়মিত ওয়েট পেপার দিয়ে মুছুন। উইন্ডো সিল করতে হবে ডাস্ট সরানোর জন্য। মেক্সিকো থেকে যে ক্যান্ডি এসেছে সেগুলো না খাওয়াই ভাল। ঘরের কাজের পর পরিহিত কাপড় লন্ড্রি করুন। ঘরে পানি ফুটালেও ফিল্টার ব্যবহার করুন। হাতমুখ ধোন। কাজে মাস্ক ব্যবহার করুন। যদি ঝুঁকি থাকে, তাহলে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করুন। কর্মক্ষেত্রে বোতলজাত পানি ব্যবহার করুন। এক বছরের শিশুদের থেকে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। বছরে একবার করে ছয় বছর পর্যন্ত। সচেতন হোন। প্রতিরোধ করুন। সুস্থ থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here