স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে প্রবাসী জামালপুরবাসীর সংবর্ধনা

1
নিউইয়র্ক: প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসানকে ফুলে শুভেচ্ছা। ছবি-ঠিকানা।

ঠিকানা রিপোর্ট : বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল হিসাবে সুপরিচিত। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা বিশ্বের অনেক দেশ অনুসরণ করছে। বাংলাদেশ এখন আর কারো কাছে মাথা নত করে না। আগামীতে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

নিউইয়র্কঃ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসানকে ফুলে শুভেচ্ছা। ছবি-ঠিকানা।

গত ৪ এপ্রিল জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ি পার্টি হলে প্রবাসী জামালপুরবাসীর যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি কথাগুলো বলেন।

নিউইয়র্কঃ অনুষ্ঠানে সুধীর একাংশ। ছবি-ঠিকানা।

কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ ফরিদ আলমের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেছা, বাংলাদেশ প্রতিদিন নিউইয়র্ক সংস্করণের নির্বাহী সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জাহানারা হাছান ও বঙ্গবন্ধু আইন পরিষদের সভাপতি মোর্শেদা জামান।

নিউইয়র্কঃ বক্তব্য রাখছেন প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান। ছবি-ঠিকানা।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যের প্রারম্ভে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতা যুদ্ধে সব শহীদ, বীরাঙ্গনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শন করেন। সেই সাথে তার বাবা এডভোকেট মুজিবুর রহমান তালুকদারের কথা গর্বভরে স্মরণ করেন। তার পিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার রাজনীতির হাতেখড়ি পিতার কাছে। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। বর্তমান অবস্থানে পৌঁছার পেছনে পিতার অবদানের কথা স্বগর্বে উচ্চারণ করেন।

নিউইয়র্কঃ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসানকে ক্রেস্ট প্রদান। ছবি-ঠিকানা।

প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাছান বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা বাংলাদেশ পেতাম না। আমাদের দাঁড়াবার জায়গা থাকতো না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার কাজ আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সম্মান আজ সারাবিশ্বে। মিয়ানমার থেকে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বে বাংলাদেশের স্থান উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। এ রকম মহানুভবতা বিশ্বে আর কোন রাষ্ট্রনায়কের নেই বলে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য সেবার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ৬ হাজার লোকের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক। এ ক্লিনিকের তাৎপর্য বিশ্বের অনেক দেশ বুঝাতে পারেনি। এটি সম্ভব হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায়। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ ধরণের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

বর্তমান সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্রত্যেক জেলায় কিডনি, ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের জন্য হাসপাতাল করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। আমরা আশ্রয় দেই, খাবার দেই। আমরা কারো কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করি না। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের মানুষ দু’বেলা পেট ভরে খেতে পারছে। দেশের মানুষ ভবিষ্যতে লম্পট-দুর্বৃত্তদের হাতে দেশ আর তুলে দেবে না।

নিউইয়র্কঃ অনুষ্ঠানে সুধীর একাংশ। ছবি-ঠিকানা।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সোনার বাংলা গড়ার, বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত পাঠ করেন মোহাম্মদ কামাল। পরে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে সব শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভার প্রারম্ভে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সাদেক হোসেন বাবু, খায়রুল বাশার আরিফ, শরিফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, শাহেন শাহ, ইমরান খান, সাদিয়া, নুরুর ইসলাম খান প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীকে প্রবাসী জামালপুরবাসীর পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here