একাদশ সংসদ নির্বাচন বর্জনের পথে বিএনপি

538

নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন না হলে এ বছরের ১৭ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন অনুষ্ঠিত হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বর্তমান অব¯া যদি চলতে থাকে, ওই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না এটা মোটামুটি নিশ্চিত বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। কারণ, বিএনপি ও কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়নি সরকারের। ফলে রাজনৈতিক সমঝোতার সকল পথ প্রায় বন্ধ। সরকার মনে করেছিল, খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করে, চাপে রেখে সমঝোতার পথ প্রশস্ত করবে। কিš সেটা হয়নি। ফলে অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবসান হলো একটি অধ্যায়ের। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবে রাজি হলেন না। বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। প্রয়োজনে এমন পরি¯িতি তৈরি করাবেন, যাতে বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে না পারে সরকার। সেটা হলে খালেদা জিয়া কারাগারে বসেই নির্বাচন করবেন। তিনি নির্দলীয় সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবেন না। নির্বাচন করতে হলে অবশ্যই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করতে হবে, নির্দলীয় সরকার হতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই, সেই কথাই আবারও স্পষ্ট করেছেন। তিনি শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবেন না। হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গিয়ে শেখ হাসিনা নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হয়েছে এবং অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে যে সুবিধা নিতে চাইছেন, সেই সুযোগ দিতে চাইছেন না। তিনি জানেন, যেকোনো মূল্যে শেখ হাসিনা এবারও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতাসীন হবেন। সেই সুযোগ যাতে না পান, সে জন্য শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে নির্বাচন বর্জন করার চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গুজব রয়েছে, সম্প্রতি কারাবন্দী খালেদার সঙ্গে ও তার দলের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিš সেই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানা যায়। যদিও সরকারের নীতিনির্ধারকদের একজন বলেছেন, বিএনপির ও খালেদার ভুলের মাশুল সরকার ও আওয়ামী লীগ টানবে না। জনগণও টানবে না। তিনি দুর্নীতিবাজ বলে প্রমাণিত। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। নির্বাচনে তাকে ও বিএনপিকে আনার জন্য অতিরিক্ত কোনো চেষ্টাই করা হবে না। তারা এমনিতেই আসবেন। না আসলে তাদের দলের নিবন্ধন বাতিলের পথ তারাই তৈরি করবে। তারা নিজেরাই তাদের ফাঁদে পড়ছেন। সেখানে সরকারের কী করার আছে? দুর্নীতির সব মামলাই হয়েছে ওয়ান ইলেভেনের আমলে এখানে বর্তমান সরকারের করার কিছুই নেই। সুতরাং, বিএনপি মামলা নিয়ে যে রাজনীতি করছে এটা ধোপে টিকবে না। নির্বাচন বর্তমান বিধানের অধীনেই হবে। সেটা বিএনপি আসুক না আসুক। দুর্নীতিবাজ নেতার জন্য তারা নির্বাচনে না এলে সেখানে সরকারের কোনো দায়ও নেই। দেশে-বিদেশে সবাই জানে খালেদা দুর্নীতি করেছেন।
বিএনপির অভিযোগ, বিএনপিকে বাদ দিয়ে সরকার আবার একতরফা নির্বাচনের ছক আঁকছে। তা না হলে খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কি পারবেন না এ নিয়ে সরকারের এত আশঙ্কা কেন? খালেদা জিয়া নির্বাচন না করলে আওয়ামী লীগের সুবিধা সেটা বিএনপি বুঝে। তবে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না, এটাই বাস্তবতা। আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এই সরকারের অধীনে কোনোভাবেই নির্বাচনে যেতে দলকে অনুমতি দেবেন না খালেদা জিয়া। তিনি কারাগারে দীর্ঘদিন থাকতে হলেও থাকবেন। তবু আপস করবেন না। তিনি রাজি হতে পারেন, যদি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাÐ থেকে বিরত থেকে ছুটিতে যান, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে প্রধান করে নির্দলীয় ব্যক্তিদের মধ্য থেকে বিএনপি জোটের প্রস্তাবের পছন্দের পাঁচজন ও আওয়ামী লীগের জোটের প্রস্তাবে পছন্দের পাঁচজন নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়। এটা হলে খুব বেশি আপত্তি করবেন না খালেদা জিয়া। তবে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যাবেন, যাতে করে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবেন। সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। এই প্রস্তাবে সরকার রাজি হলে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির সব নেতার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। যারা কারাগারে আছে, তাদের জামিনে মুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানের ওপর থেকে পলাতক লেবাস তুলে নিতে হবে। এ বিষয়ে সরকার সমঝোতা করতে রাজি হলে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হবেন। এসব বিষয়ের সমঝোতা না হলে একাদশ জাতীয় সংসদের বাইরে থেকে আওয়ামী লীগ যে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে, সেটাই প্রমাণ করতে চান। তিনি মনে করছেন একাদশ নির্বাচন বর্জন করলে দ্রæত ওই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। এরপর দ্বাদশ নির্বাচন দিতে হবে। ওই নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতাসীন হবেই। কোনোভাবেই আটকানো যাবে না। আর হাসিনার অধীনে একাদশ নির্বাচনে অংশ নিলে আবারও পাঁচ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে হবে। তবে খালেদা জিয়া আন্তর্জাতিক মহল থেকে যে বার্তা পেয়েছেন, তাতে করে তার পক্ষ থেকে কোন তাড়াহুড়ো নেই। তিনি আশাবাদী।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি বাইরে থাকলেও কিছু করার নেই। সমঝোতা না হওয়ার জন্যই বলেছেন। কিš এটাই সরকারের শেষ কথা নয়। সরকার শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার। এ জন্য নানাভাবেই চাপ তৈরি করবে। খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, সরকার যতই চাপে রাখুক, না কোনো চাপের কাছেই কোনো নথি স্বীকার করবেন না। কারণ তার দল ছাড়া কোন পিছু টান নেই। পরিবারের কেউ দেশে নেই। ছেলে বিদেশে। ছেলেদের পরিবার বিদেশে। সরকার চাইলেও কাউকে হয়রানি করতে পারবে না। এ কারণে কারাগারে গেলেও এতটুকুও চিন্তিত নন খালেদা জিয়া। ফলে নিজের সিদ্ধান্তে অটল আছেন। তার দাবি, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর কাজ থেকে সরতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতেই হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে নির্বাচন দিতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু হলে কিংবা এর বাইরে কোনো কিছু কিংবা কারো সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবেন না। নির্বাচন সামান্য নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হলে তার দল ক্ষমতায় আসবে এটা তিনি নিশ্চিত মনে করেই এখন শক্ত অব¯ানে অনড় রয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহল খালেদা জিয়ার বিচার নিয়ে কোনো চাপে রাখেনি সরকারকে, এটা বলার পরও হতাশ নয় বিএনপি। কারণ বিএনপি প্রমাণ করেছে, এই বিচার সুষ্ঠু হয়নি। বিচার করা হয়েছে অন্যায়ভাবে। বিদেশি মহলের কাছে মামলার সব নথি ও রায়ের কপিও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল এ কারণে খালেদা জিয়ার বিচার নিয়ে কোনো কথা বলছে না। তারাও আশাবাদী খালেদা জিয়া শেষ পর্যন্ত খালাস পাবেন। এ কারণে বিদেশিরা বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করছেন না।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, হাসিনা চেষ্টা করিয়েছেন এবং এখনো করছেন যেন খালেদা জিয়া তার অধীনে নির্বাচনে যেতে রাজি হন। রাজি হলেই আপিল করে জামিনে বাইরে আসার সুযোগ পাবেন। আপিলে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসবেন। প্রস্তাবে উচ্চ আদালতে আপিল করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করবেন না। কিš রাজি নন খালেদা। এ কারণেই এখন খালেদা জিয়ার রায়ের কপি মিলেছে। তার আইনজীবীরা ২০ ফেব্রæয়ারি আপিল করেছেন। ৪৪টি যুক্তি তুলে ধরেছেন। রায়ে খালেদার বক্তব্য থেকে প্রশ্নবোধক চিহ্ন তুলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ২২ ফেব্রæয়ারি বিচারপতি ইনায়েতুর রহমানের বেঞ্চে আপিল আবেদনের বিষয়ে শুনানি হবে। আপিল শুনানির দিনে তার জামিনেরও বিষয়েও শুনানি করবেন ব্যারিস্টার মওদুদ। যদিও দুদক সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, যাতে খালেদা জিয়ার জামিন না হয়। এ জন্য দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলমও সব ধরনের প্র¯তি নিয়েছেন। সূত্র জানায়, সরকার চাইছে জামিন না হোক। রাষ্ট্রপক্ষ সেভাবেই কাজ করছে। অন্যদিকে দুদকও জামিনের বিরোধিতা করবে। এ কারণেই জামিনের আবেদন করার পরও খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে না বলেই জানা গেছে। তাকে কারাগারেই থাকতে হবে। যদিও চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি।
খালেদা জিয়ার একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, জেলখানায় তার কষ্ট হচ্ছে। তার চলাফেরাতেও সমস্যা। এছাড়া তার চিকিৎসা দেওয়ারও প্রয়োজন হবে শিগগিরই। কারণ কারাগারে তার জন্য থাকা ভীষণ কষ্টসাধ্য। এ অব¯ায় সব মিলিয়ে তাকে চাপের মুখে রাজি করানোর চেষ্টা করা হয়। কিš কোনো কিছুতেই খালেদা জিয়া তার আপসহীন নেত্রীর ইমেজ ভাঙবেন না পণ করেই আছেন।
এদিকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ার কারণে একই দিনে শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারও আভাস দিয়েছেন বিএনপিকে বাইরে রেখেই নির্বাচন করার। আর বিএনপিও বলেছে, খালেদাকে বাদ দিয়ে তারা নির্বাচনে যাবে না। খবর নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনও খালেদা জিয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক অব¯ানে নেই। কারণ খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, এটা অনেক পরের ব্যাপার। তার আপিল এখন আদালতে রয়েছে শুনানির জন্য। কারো বিরুদ্ধে নি¤œ আদালতের রায় থাকলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, এ-সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের দুই রকমের নির্দেশনা রয়েছে। সেই হিসেবে খালেদা জিয়ার মামলা চ‚ড়ান্ত নিষ্পত্তি না হলে ও সর্বোচ্চ আদালতে তার শাস্তি না হলে তার নির্বাচনে অংশ নিতে কমিশন চাইলে সুযোগ দিতে পারে। কিš কমিশন এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না এখনই। বরং তারা সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছে তিনি যে অব¯ায় আছেন, তাতে করে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। কারণ তিনি দÐিত। খালেদা জিয়াকে দÐিত মনে করেই তারা এগোচ্ছে। আগামী দিনে উচ্চ আদালত থেকে ব্যতিক্রম কোনো নির্দেশনা এলে তারা সেটি অনুসরণ করতে পারে। উচ্চ আদালতে গেলে কী নির্দেশনা আসে, তার ওপর নির্ভর করে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। তাতে স্পষ্ট, নির্বাচন কমিশন অপেক্ষা করবে আদালতের জন্য ও সরকারের তরফ থেকে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে, তা দেখার জন্য।
সূত্র জানায়, সরকারের অব¯ান স্পষ্ট, তা হলো বিএনপির চেয়ারপারসন কারাগারে থাকলে বিএনপি নির্বাচনে না এলে এ নিয়ে সরকার খুব বেশি মাথা ঘামাবে না। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত হচ্ছে গেল বারের মতো এবারও বিএনপি না এলে দলটিকে ছাড়াই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নির্বাচন সময়মতোই হবে। তারা ভোটে না এলে জনগণ ভোট দেবে। সময়মতো নির্বাচন হবে, সংবিধানে যেভাবে বলা আছে। যাদের জনগণের ওপর বিশ্বাস ও আ¯া আছে; তারা নির্বাচনে আসবে। একাদশ সংসদ নির্বাচন এ বছরের শেষে হবে।
এদিকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারপারসন করার বিষয়েও সরকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে না। সরকারের প্রত্যাশা ছিল, তারেক রহমানের শাস্তি হলে অন্য কোনো নেতাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের দায়িত্ব দেওয়া হবে। কিš সেটা হয়নি। সূত্র জানায়, তারেক রহমানকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে না, সেটা নিশ্চিত। কারণ তিনি সরকারের খাতায় পলাতক। পলাতক কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না বিদেশ থেকে।
সরকারের নানা হিসাব-নিকাশের মধ্যে বসে নেই বিএনপি। তারাও হিসাব করছে কী করতে হবে। এ জন্য তাদের অব¯ানও স্পষ্ট। খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনোভাবেই নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। বিএনপির ¯ায়ী কমিটির নেতাদের মনোভাব হচ্ছে এ ব্যাপারে এখন থেকেই জনমত তৈরি করা। তারা চাইছেন জনগণের কাছে এটাই বলা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের একমাত্র প্রেরণা। উইদাউট খালেদা জিয়া, নো ইলেকশনÑএটাই এখন জনগণের উচ্চারণ। বেগম জিয়া ব্যতিরেকে কোনো নির্বাচন হবে না। মামলা দিয়ে, সাজা দিয়ে হাত-পা বেঁধে চক্রান্তের নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যাবে। তারেক রহমানও সিনিয়র নেতাদের এ ব্যাপারে জনমত তৈরি করার জন্য বলে দিয়েছেন। এদিকে সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, বিএনপি মুখে যত কথাই বলুক না কেন, শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যাবেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here