print

ফ্যামিলি ভিসায় ভাই-বোনদের জন্য আবেদন প্রসঙ্গে

27

মোহাম্মদ এন মজুমদার

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন আইনের ধারা মোতাবেক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকগণ তাদের ভাই-বোনদের জন্য আবেদন করতে পারেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন পদ্ধতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর মাধ্যমেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইমিগ্রেশন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। কারণ, ভাই-বোন তাদের স্বামী, স্ত্রী ও তাদের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানাদিসহ গোটা পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে আসার সুযোগ পেয়ে থাকেন।
ভাই-বোনদের জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ভাই কিংবা বোন তার বাংলাদেশ বা অন্য যে কোনো দেশে বসবাসরত মা, ভাই-বোনদের জন্য ও-১৩০ দরখাস্তের ফরম যথাযথ পূরণ করে আবেদন করতে পারেন। একই ও-১৩০ ফরমে ভাই বা বোনের সকল সদস্যকেই অন্তর্ভুক্ত করার যায়। তবে আবেদনকারীদের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং অবিবাহিত প্রার্থীরাই যুক্তরাষ্ট্রে আসার সুযোগ পেয়ে থাকেন। অনেকের জানতে চান: আবেদন করার পর ভাই বা বোন বিবাহ করলে এবং আবেদনের পর সন্তানাদি জন্মগ্রহণ করলে তাদেরকে কিভাবে আবেদন পত্রের অন্তর্ভুক্ত করা যায়? আবেদন করার পর আবেদনকারী বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলে সেই স্বামী বা স্ত্রীকে এবং আবেদনের পর শিশু জন্মগ্রহণ করলে সে সকল সন্তান-সন্ততিকেও ভিসা প্রসেসিং চলাকালে
ঘঠঈ বা ন্যাশনাল ভিসা সেন্টারের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং ভিসা ফি দেওয়া যায়। এমনকি ভিসা প্রসেসিংয়ের পর ইন্টারভিওর আগে জন্ম গ্রহণকারী সন্তানদেরও অ্যাম্বাসির ইন্টারভিওতে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
এছাড়াও আবেদন প্রক্রিয়ায় যেহেতু ১২ বছর সময়ের প্রয়োজন ইতোমধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে নতুন স্ত্রী কিংবা স্বামীকেও অন্তর্ভুক্ত করা যায়। বর্তমানে কংগ্রেসে ভাই-বোন এবং পিতা-মাতার আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের উচিত নিজেদের ভাই-বোনদের জন্য যথাশিগগিরই আবেদন করা ।
লেখক পরিচিতি : এই প্রবন্ধটির লেখক মোহাম্মদ এন মজুমদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং নিউইয়র্কস্থ টরো ল সেন্টার থেকে আইনে এলএলএম ডিগ্রিধারী, তিনি নিউইয়র্কস্থ একটি ল ফার্মে ১৯৯৯ সাল থেকে কর্মরত আছেন। এ ছাড়াও তিনি নিউইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকা-ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বিজ্ঞ প্লানিং বোর্ড-৯ এর সদস্য ফাস্ট ভাইস চেয়ারম্যান এবং ল্যান্ড এন্ড জোনিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯১০ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উপরোক্ত লিখাটি লেখকের সুদীর্ঘকালের ল ফার্মে কর্ম অভিজ্ঞতা ও ল স্কুলের শিক্ষা থেকেই লিখা। এটিকে লিগ্যাল এডভাইজ হিসেবে গ্রহণ না করে আপনাদের নিজ নিজ আইনজীবীর সহযোগিতা নিন। তিনি এখন থেকে নিয়মিত ঠিকানার পাঠকদের জন্য লিখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here